কাশ্মীরের স্বায়ত্বশাসন লোপ প্রসঙ্গে ভিন্নমত পোষণ করে রাজ্যসভায় কংগ্রেস সাংসদের পদত্যাগ !

0

Last Updated on

দ্ব্যর্থহীন ভাষায় ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস বিরোধীতা করেছে কেন্দ্রের কাশ্মীরের স্বায়ত্তশাসন অপসারণের জন্য | রাজ্যসভার নেতা গুলাম নবি আজাদ এই ঘোষণাকে ” সংবিধানের হত্যা ” বলে অভিহিত করেছেন | পি চিদাম্বরম বলেছেন, “এমন ঘটনা কখনো ঘটেনি |” বরবারই কাশ্মীর সমস্যা জিইয়ে রাখার জন্য কংগ্রেস ও নেহেরু পরিবারকেই দায়ী করেছে বিজেপির মত দলগুলি | নেহেরু ও আবদুল্লা চুক্তি না করলে এই সমান্তরাল ক্ষমতা ভোগের মত জায়গায় কাশ্মীর কখনই যেত না বলেই মত অনেকের | সেক্ষেত্রে উপত্যকার রাজনৈতিক দলগুলিরও যথেষ্ট মদত ছিল বলে মনে করা হয় | তাই ঐতিহাসিক এই সিদ্ধান্তের দিনে উপত্যকার বিচ্ছিন্নতাবাদী বা একদা ক্ষমতাসীন দলগুলির নেতারা এই সিদ্ধান্ত মানার জায়গায় নেই বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকেরা |

কিন্তু কাশ্মীর ও লাদাখকে কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল ঘোষণা করার দিনই নিজের দলের সঙ্গে ভিন্নমত ও ভিন্ন অবস্থানে দাঁড়িয়ে রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিলেন ভূবনেশ্বর কালিটা | কাশ্মীর বিল রাজ্যসভায় পেশের খানিক বাদেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্যুইটার হ্যান্ডেলে তিনি সে কথা ঘোষণা করেন | যদিও তার কোন ব্যাখ্যা দেননি তিনি | তবে ঘনিষ্ঠ মহলে তার বক্তব্য,এই নীতির সমালোচনা করা কংগ্রেসের খুব ভুল পদক্ষেপ | এই দলকে বাঁচানো খুব মুশকিল বলেও মন্তব্য করেন কালিটা তাঁর ঘনিষ্ঠ মহলে বলে সূত্রের খবর |

কালিটার এই পদত্যাগও যথেষ্ট রহস্যে মোড়া | কারণ সোমবার সকালেই কংগ্রেসের তরফে একটি অ্যাডদর্নমেন্ট মোশন পেশ করা হয় | যে চারজন কংগ্রেস নেত্রী স্থানীয় সাংসদ এই মোশন আনেন তার মধ্যে গুলাম নবি আজাদ,আনন্দ শর্মা,অম্বিকা সোনি ও ভূবনেশ্বর কালিটা ছিলেন | এরপর আচমকা কি কারণে তিনি পদত্যাগ ঘোষণা করেন, তা একেবারেই স্পষ্ট নয় আসামের রাজীব ভবনের নেতারাও | যদিও সদ্য দলত্যাগী আসামের এই সাংসদ এখনই অন্য কোন শিবিরে যোগ দেবেন কিনা স্পষ্ট নয় তাও |প্রসঙ্গত, ৩০শে জুলাই সঞ্জয় সিং আসামের আরেক রাজ্যসভার কংগ্রেস সাংসদ দলত্যাগ করে বিজেপি শিবিরে যোগ দান করে |

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here