এগিয়ে আসছে বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব শারদ উৎসব, সেই উপলক্ষে মালাকার শিল্পীদের ব্যস্ততা এখন চরমে।।

0

Last Updated on

রাইজিং বেঙ্গল ডেস্ক; ১০ই সেপ্টেম্বর; ২০১৯: শারদ উৎসবের বাকি নেই আরেকটি মাসও। শোলার তৈরি গহনায় মা দুর্গার সাজ অর্থাৎ যাকে কিনা আমরা বলি ডাকের সাজ,সেই ডাকের সাজে মায়ের এক অভিনব রূপ দেখা যায়। এইসব গহনা প্রস্তুতকারী যেসব শিল্পীরা আছেন অর্থাৎ যাদেরকে মালাকার শিল্পী বলা হয়ে থাকে তাদের ব্যস্ততা এখন তুঙ্গে। মায়ের প্রতিমা কে সালঙ্কারা করে তুলতে দিনরাত এক করে পরিশ্রম করে চলেছেন তাঁরা।

আরও পড়ুন:
https://risingbengal.in/kendriyo-prokolpo-theke-bonchito-bjp-kormir-poribar/

এই বিষয়ে উত্তর দিনাজপুর জেলার কালিয়াগঞ্জ এর দক্ষিণ আখানগর এলাকার শিল্পী সুনীল মালাকার বলেন, দেবী কৈলাশ থেকে কতটা সেজেগুজে আসেন তা তা শাস্ত্র জ্ঞানীদের জানার বিষয়। মর্তে দেবীকে সালঙ্কারা করার দায়িত্ব বর্তায় মালাকার শিল্পীদের ওপর। এর জন্য বিভিন্ন জায়গা থেকে ছোলা গাছের কান্ড কিনে এনে শুকিয়ে নানান প্রকারে কেটে তৈরি হয় দেবীর অলংকার। দেবীর এইসব অলংকার প্রস্তুত করতে শোলা গুলি তাঁদের আনতে হয় উত্তর দিনাজপুর জেলার ইটাহার ব্লক ও মালদা জেলার বিভিন্ন ব্লক থেকে। সুনীল বাবু আরো বলেন, বংশপরম্পরায় যুগ যুগ ধরে তারা দেবীর অলংকার প্রস্তুত করে যাচ্ছেন। এ বছরও তার ব্যতিক্রম নয়। শিল্পী মনের আবেগ কে সঙ্গী করে দেবীর অলংকার তৈরিতে বেজায় ব্যস্ত মালাকার শিল্পীরা প্রত্যেকেই। তাদের হাতের তৈরি শোলার অলঙ্কারগুলি শুধু এই জেলায় নয় আশেপাশের বিভিন্ন জেলাসহ ভিন রাজ্যেও মাকে করে তোলে অলংকৃতা। পাইকারি ব্যবসায়ী এবং মৃৎশিল্পীরা এসে শোলার তৈরি দেবীর অলংকার গুলি নিয়ে যান বলে জানান মালাকার শিল্পী সুনীল মালাকার।

আরও পড়ুন:
https://risingbengal.in/coach-er-hatei-slilotahani/

সুনীল বাবুর সহধর্মিনী ৭০ বছরের মায়া মালাকার জানান, সংসারের সমস্ত কাজ সামলে যতটা সময় পাওয়া যায় তিনি তাঁর স্বামীকে এই কাজে সহযোগিতা করেন। স্বামীর কাছ থেকেই তিনি শিখেছেন এই অলংকার প্রস্তুত করার কাজ। মায়াদেবী যথেষ্ট উৎসাহের সঙ্গেই করে থাকেন এই অলংকার প্রস্তুত করার কাজ এবং তিনি আরো বলেন যতদিন বেঁচে থাকবেন ততদিনই তাঁরা এই কাজ চালিয়ে যাবেন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here