নন-কোভিড রোগীদের জন্য খুলে দেওয়া হোক মেডিক্যাল কলেজের দরজা,দাবিতে অবস্থান বিক্ষোভ জুনিয়র ও ইনটার্নদের

0
demonstration of juniors doctor and interns

Last Updated on

কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে কোভিড ছাড়া অন্য কোন রোগীকে ভর্তি করা হচ্ছে না | কেন করা হচ্ছে না সে প্রশ্নে সরকার বিরোধী অবস্থানে জুনিয়র ডাক্তার থেকে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডাক্তার ,ইনটার্নেরা | রাজ্য ও দেশজুড়ে যেদিন ডক্টরস ডে পালিত হচ্ছে, সেই দিন রোগিদের স্বার্থে মেডিক্যাল কলেজে অবস্থানে বসলেন ওই ডাক্তারেরা | তাদের দুটি দাবি রাজ্যের সবচেয়ে বড় সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালকে ও কোভিড হাসপাতাল করে দেওয়ায় বঞ্চিত হচ্ছেন অন্যান্য রোগীরা |

আরো পড়ুন :মৃতদেহ সরানো কাণ্ডে মুখ্যসচিবের কাছে রিপোর্ট তলব রাজ্যপালের

তাই অবিলম্বে সকল রোগীর জন্য এই হাসপাতাল খুলে দিতে হবে | সঙ্গে কোভিড রোগীদেরও যাতে চিকিৎসা করা যায় তার বন্দোবস্ত করতে হবে | রাজ্যে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ৭ই মে থেকে রাজ্যের ৬৮ তম কোভিড হাসপাতাল হিসেবে ক্যালকাটা মেডিক্যাল কলেজের কথা ঘোষণা করেন মু্খ্যমন্ত্রী |

তারপর থেকেই সার্কুলার জারি করে সব রোগীর আউটডোর ও এমার্জেন্সি বন্ধ করে দেওয়া হয় | তা নিয়ে কার্যত বিক্ষোভে পড়য়া ডাক্তারেরা | তাদের বক্তব্য, এর ফলে তাদের পড়াশোনারও ব্যাঘাত ঘটছে | কারণ আউটডোরে অসংখ্য যে মানুষেরা নানাবিধ রোগ নিয়ে সেখানে আসেন তাদের চাক্ষুষ করার মাধ্যমে তাদের ক্লিনিক্যাল ও প্র্যাক্টিক্যাল যে অভিজ্ঞতা হয় তা থেকে তারা বঞ্চিত হচ্ছেন |

সরকার যদিও এই প্রশিক্ষণের জন্য তাদেরকে সাগর দত্ত ও অন্য হাসপাতালে প্রশিক্ষণ নেওয়ার প্রস্তাব দেন | কিন্তু তাতে তারা রাজি হননি সেই সব পড়ুয়া ডাক্তারেরা | কারণ তাদের বক্তব্য তারা পরীক্ষা দিয়ে উত্তীর্ণ হয়ে রাজ্যে তথা দেশের অন্যতম সম্ভ্রান্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়ার সুযোগ পেয়েছেন |

আরো পড়ুন :মাটি মাফিয়াদের সঙ্গে প্রশাসিনক যোগাযোগের অভিযোগ,সিঙ্গুরের মাটি ঘিরে ক্ষোভ উস্কে দিচ্ছে সিঙ্গুর আন্দোলনের স্মৃতি

অন্য কোথাও গিয়ে তারা সেটা নষ্ট করতে চাননা | বিক্ষোভরত ডাক্তারদের বক্তব্য প্রতিদিন কার্ডিওলজি ও অঙ্কোলজি বিভাগে প্রতি সপ্তাহে ৪০০ রোগী দেখাতে আসেন | সার্জারি হয় প্রতি মাসে ছোট বড় মিলিয়ে কমপক্ষে ১৩০০ টি অপারেশন হয় সেখানে এই বন্ধের ফলে কত মানুষ বিপাকে পড়েছেন তা সহজে অনুমেয় | তাই রোগীদের সমর্থনে তাদের পোস্টার হাতে দেখা যায় | যাতে লেখা লং লিভ ডক্টর-পেশেন্ট ইউনিটি |

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here