‘We are human too’

0

Last Updated on

‘We want men’s commission’,’We support men’s rights’,’We are human too’, ‘We want equal rights’এমনই কিছু স্লোগান সহ পোষ্টার দেখা গিয়েছিল এবারের কলকাতা বইমেলায়।পুরুষেরা তো বটেই এমনকি কিছু মহিলাদেরও তাতে অংশ নিতে দেখা গেল।কিন্তু এইরকম হল কেন? আমরা সাধারণত নারীবাদের কল্যাণে উল্টোটাই দেখতে অভ্যস্থ।সকালের কাগজ বা টিভি এবং অবশ্যই সোশাল মিডিয়ার কল্যাণে মেয়েদের স্বপক্ষেই হাজারও লেখা।এমনকি নারী নির্যাতনের মিথ্যে সাজানো মামলাতেও বহু নির্দোষ ছেলেদের জীবন নষ্ট হওয়ার খবর তো মেইনস্ট্রিম মিডিয়ায় কখনও আসতে দেখা যায় না৷ তবে কি কারণ এরকমটা হওয়ার?আসলে নারীবাদী আন্দোলনের পাশাপাশি অ্যান্টি-ফেমিনিষ্ট মুভমেন্ট বলে এক আন্দোলনের কথাও পশ্চিমী দুনিয়া দেখছে। যা হয়েছে মিডিয়ার অগোচরে।এটি কী তবে তারই ভারতীয় সংস্করণ?
কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে এইরকমটা হবে কেন? তাহলে কি তথাকথিত নারীবাদী আন্দোলন কোনোভাবে সামাজিক ভারসাম্য নষ্ট করছে?প্রশ্ন এখানেই।
পৃথিবীর ইতিহাসে আজ অবধি যত’ইজম’এর জন্ম হয়েছে তার প্রতিটিকেই অনেক ঝড়-ঝাপটার সম্মূখীন হয়েছে| বারেবারে তাকে পরীক্ষা দিতে হয়েছে।নারীবাদও তার ব্যাতিক্রম নয়।উনবিংশ শতকের মাঝামাঝি থেকে মোটামুটিভাবে পশ্চিমী দুনিয়ায় নারীবাদের উত্থান। তারপর বিশ্বের প্রতিটি নদী বেয়েই অনেক জল গড়িয়েছে। উন্নত বিশ্বে নারীবাদ অনেকাংশেই আজ সফল৷পিছিয়ে নেই উন্নয়নশীল বিশ্বও।কিন্তু নারীবাদের ঝাণ্ডা বয়ে বেড়ানো একটা অংশ বাকি সমস্ত মতবাদের মতও এখানেও জঙ্গী মতাদর্শের পক্ষপাতী।অসুবিধা তাঁদেরকে নিয়েই। বিশ্বের বহু দেশেই নারী নির্যাতনের নামে আইনের ফাঁক গলিয়ে সুবিধা নেওয়ার ঘটনা এর সাক্ষী। আমাদের দেশও তার ব্যতিক্রম না। পেশাদার জগতে হামেশাই নির্দোষ পুরুষরা এর শিকার। ‘উইমেনস কমিশনে’র মত তাদের কোনো সংগঠন যে নেই। নেই তাদের উপর যৌন নির্যাতনের মত ঘটনায় বাঁচানোর মত কোনো’কনস্টিটিউশনাল প্রভিশনও’। সে জন্য তারা আজ নিরুপায়। তাই আজ বোধহয় সময় এসেছে নতুন ভাবে ভাবার। নতুন বিশ্ব গড়ার যেখানে প্রকৃত অর্থেই লিঙ্গ নির্বিশেষে থাকবে না কোনো বৈষম্য।
শিবাজী প্রতিম

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here