মিষ্টি পানীয়ে মরণ থাবা, ছোঁবেননা ফলের রসও, বলছে সমীক্ষা

0

Last Updated on

গরমে গলা ভেজানোর জন্য সোডা জাতীয় জলের চাহিদা বাড়তে থাকে গরম প্রধান দেশগুলিতে | বিশেষ করে এদিন যা আবহাওয়ার পরিস্থিতি এখানে, তাতে জলের দরে ফলের রস খেতে অনেকেই ভিড় জমান রাস্তার পাশের ফলের দোকানগুলিতে | কিন্তু সাধু সাবধান | সমীক্ষা বলছে ,প্রতিদিন ৩.৪আউন্স মিষ্টি সোডা জল খাওয়াতে আপনি শতকরা ১৮ভাগ এগিেয়ে যাচ্ছেন নিশ্চিত কর্কট রোগের আক্রমণের দিকে | ব্রিটিশ মেডিক্যাল জার্নাল সেকথাই বলছে তাদের সদ্য প্রকাশিত সংখ্যায় | কোক জাতীয় পানীয়ের থেকেও তা তিনগুণ বেশি ক্ষতিকারক এই মিষ্টি পানীয় বলছে সে কথাও |

মহিলাদের মধ্যে এর ফলে ২২% বেশি কর্কট রোগের প্রবণতা লক্ষ্য করে ফরাসী সমীক্ষক সংস্থাটি | পুষ্টিকর খাদ্য ও স্বাস্থ্যের উপর তার প্রভাব এই দুইয়ের সম্পর্ক নিয়ে কাজ করছে এই সংস্থাটি | আর সেখানে মিষ্টির সঙ্গে কর্কট রোগের সম্পর্কের বিষয়টি নজরে আসে তাঁদের | তাতেই উঠে এসেছে মিষ্টি রসের হানিকারক দিকটি | সব দেশেই ফলের রসকে স্বাস্থ্যকর বলে তুলে ধরা হলে তা যে একেবারেই উল্টো ক্রিয়া করে শরীরে প্রবেশের পর, তা প্রমাণ করে দিয়েছে এই সমীক্ষা বলে মত ওয়াকিবহাল মহলের |
তবে এই তথ্য মানতে নারাজ পানীয় প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলি | তাদের মতে ,দৈনন্দিন খাদ্যাভাসে পরিমিত ফলের রস বা পানীয়ের চাহিদাও থাকে মানব শরীরে | তা মিষ্টিই হোক বা বিনা চিনির | সে কথা মাথায় রেখে নানা রকম পানীয়কে বাজারে আনা হয়েছে বলে তাদের দাবি |

বিশ্বে যত পানীয় আছে তার মধ্যে ৯৭% পানীয় এবং ১২ রকমের কৃত্রিম মিষ্টি তৈরি করা উপাদানকে পরীক্ষা করে দেখা গিয়েছে শু‌ধুমাত্র এদের উপরেই কর্কট রোগের কারণ বর্তায় না | বরং মিষ্টির সঙ্গে এই কর্কট কোষের সম্পর্ক আরও অনেক বেশি দৃঢ়|
অতিরিক্ত ফলচাষের জন্য সারের ব্যবহারও কর্কট রোগের প্রবণতা বৃদ্ধির একটি কারণ ফল খেলে ,মনে করছেন গবেষকেরা |

এই সমীক্ষার উপর নির্ভর করে প্রত্যেক দেশেই এই গুলি ব্যবহারে সরকারি নিয়ন্ত্রণ আনা প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেছেন সমীক্ষকেরা | ১০০শতাংশ ফলের রস খেয়েও এড়িয়ে যাওয়া যাবেনা মারণ রোগকে | আসলে জীবনে কমাতে হবে মিষ্টির প্রভাব | চিনি যে মত মারাত্মক ক্ষতিকারক,তা এক কথায় স্বীকার করছেন একদল ফরাসী গবেষক |

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here