ব্ল্যাক হোলের ইতিবৃত্তান্ত জানতে চলচ্চিত্র নির্মাণের ইন্দো-ইংগো অভিনব যৌথ প্রয়াস

0

Last Updated on

মহাকাশ গবেষণায় ফের দুরন্ত কাজের নজির ভারতের কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের | যৌথ উদ্যোগ ইন্দো-ইউকের | প্রথম থেকেই কাজ করছিলেন ইউনিভার্সিটি অফ সাউদাম্পটন এবং ইন্টার ইউনিভার্সিটি সেন্টার ফর অ্যাস্ট্রোনমি অ্যান্ড অ্যাস্ট্রো ফিজিক্সের (আইইউসিএ) জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের একটি দল | ব্ল্যাক হোল সিস্টেমের ইতিবৃত্তান্তকে ক্যামেরা বন্দী করতে একটি হাই লেন্স ক্যামেরা ব্যবহারের মাধ্যমে একটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করার কাজ করছে এই আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানীকের দলটি | এই চলচ্চিত্রের মাধ্যমে ব্ল্যাক হোল সিস্টেমের যে খুঁটিনাটি বিষয় সামনে আসতে চলেছে তা আগে কখনও দেখা যায়নি বলেই দাবি এই জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের । তারা এই ছদ্মবেশী অবজেক্টগুলির আশেপাশের পরিবেশটি বোঝার জন্য নতুন সূত্র আবিষ্কার করেছে ।

আরও পড়ুন: দূষিত বায়ুকণা ‘পি এম ২.৫’ যখন ভিলেন https://risingbengal.in/featured/villain-jakhon-p-m-2-5/

শুক্রবার জারি করা একটি সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে যুক্তরাজ্যের সাউদাম্পটন, যুক্তরাজ্য এবং পুনের আইইউসিএএর যৌথ পিএইচডি শিক্ষার্থীরা এই দুরূহ কার্য সম্পন্ন করেন । জন পাইস এই গবেষণার নেতৃত্ব দেন। তিনি সাউদাম্পটন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক পোষাক গান্ধী এবং আইইউসিএর অধ্যাপক রঞ্জিভ মিশ্রার নেতৃত্বে ইন্দো-ইউকে প্রোগ্রামের অংশ।

ব্ল্যাকহোল সিস্টেমটি হল ‘MAXI J1820 + 070’ । এটি কমপক্ষে ১০,০০০ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত । এটি প্রথম আবিষ্কার হয় ২০১৮সালে । বৈজ্ঞানীকেরা জানাচ্ছেন,এর ভর লন্ডন শহরের চেয়ে ছোট অঞ্চলে, সংকুচিত সাতটি সূর্যের সমতুল্য । ব্ল্যাক হোলগুলি কাছাকাছি জ্যোতিষ্কগুলিকে গ্রাস করতে পারে এবং সেই উপাদান দিয়ে বিশাল আকৃতির ডিস্ক তৈরি করতে পারে । এই ব্ল্যাকহোলের শক্তিশালী মাধ্যাকর্ষণ বল এবং উপাদানটির নিজস্ব চৌম্বকীয় ক্ষেত্রের প্রভাব দ্রুত পরিবর্তনশীল মাত্রার বিকিরণের কারণ হতে পারে, যা পুরো সিস্টেমটি থেকে নির্গত হয় । ব্ল্যাক হোলগুলির গতিবিধি পর্যবেক্ষণে এই পদক্ষেপ নিশ্চিত ভাবে সাহায্য করবে বলে আশাবাদী তামাম জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা |

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here