প্রতিকূলতাকে হারিয়ে সবুজায়নের পথে রানারাম ও মালহোত্রা দম্পতি

0

Last Updated on

কর্ণাটকের SAI স্যাংচুয়ারির ডাক্তার দম্পতির মত নয়, একেবারেই একার উদ্যোগে শুষ্ক মরুভূমি সবুজে ঢাকতে সকলের অগোচরে কাজ করে চলেছেন এক ব্যক্তি | নাম রানারাম জি বিশোই | রাজস্থানের যোধপুরের বাসিন্দা | বয়স ৭৫ | উদ্যোগ নিয়েছিলেন দীর্ঘ ৫০ বছর আগে | তখন তাঁর বয়স মাত্র ২৫বছর | একটি একটি করে গাছ লাগাতে শুরু করেছিলেন | দীর্ঘ ৫০বছরে তার লাগানো গাছের সংখ্যা এখন প্রায় ২৭০০০ | শুকনো খটখটে মরুভূমিতে দূর থেকে জল এনে একটি একটি করে গাছ লাগিয়েছেন রানারাম | বয়স হয়ে যাওয়ায় এখন খানিকটা সমস্যা হলেও দমতে নারাজ তিনি |

অন্যদিকে ২৩ বছর আগে কৃষকদের থেকে রুখা-শুখা জমি কিনে তাতে অরণ্য তৈরির স্বপ্ন দেখেছিলেন এক এনআরআই ডাক্তার দম্পতি | ডঃ অনিল ও পামেলা মালহোত্রা | ব্যক্তিগত মালিকানার স্যাংচুয়ারি তৈরির জন্য যে পরিমাণ জমির দরকার ছিল হিমালয়ের কোলে সে জমি খুঁজতে প্রথমে সেখানেই পৌঁছেছিলেন | কিন্তু সেখানে জমি ক্রয়ের উর্ধ্বসীমা মাত্র ১২ একর হওয়ায় দক্ষিণে চলে আসেন জমির সন্ধানে | শেষমেষ কর্ণাটকের কোডাগু জেলায় ৫৫একর জমির সন্ধান পাওয়ায় তারা তা কিনে নেন | সেই ৫৫একরের জমি আজ ৩০০একরের স্যাংচুয়ারি | তাতে রয়েছে বেঙ্গল টাইগার,এশিয়ান হাতি,এমনকি কিংকোবরাও |
এই স্যাংচুয়ারি বতর্মানে SAI নামে পরিচিত একটি মস্ত বড় ট্রাস্ট | কিন্তু ব্যক্তিগত উদ্যোগে করা এই স্যাংচুয়ারি চালানোর বিপুল খরচের পাশাপাশি চোরা শিকারিদের হাত থেকে পশুদের রক্ষা করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে |

ছবি সৌজন্য : অফিসিয়াল ট্রেলর SAI SANTUARY ও এ. জিঙ্গার

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here