পানীয় জল সঙ্কট ও আমাদের ভূমিকা।

0

Last Updated on

সম্বরণ চট্টোপাধ্যায়।

না, পানীয় জল সঙ্কটের কোন মর্মান্তিক দৃশ্যের বর্ণনা করতে বসিনি। জল সঙ্কট বিষয়ে কোন তথ্য ও পরিসংখ্যান সমৃদ্ধ প্রতিবেদন লেখারও অভিপ্রায় নেই। এই কাজগুলো তথাকথিত গণমাধ্যম গুলো দক্ষতার সঙ্গেই করে চলেছে। রাজনৈতিক বা আর্থ-রাজনৈতিক কাদা ছোঁড়াছুড়ি করারও বিন্দুমাত্র ইচ্ছে নেই। যেটা গণমাধ্যম বা সামাজিক মাধ্যমে বিশেষ নজরে পড়ছে না, সেটা হল পানীয় জল ও তার সংরক্ষণ সম্পর্কে পরিস্কার ধারণা দেবার চেষ্টা, আর সাধারণ মানুষের কি করনীয় সে ব্যাপারে আলোকপাত করা।

আমি সংক্ষেপে আর যথাসম্ভব সহজ ভাবে সেই কাজটাই করার চেষ্টা করব।

প্রথমেই বোঝা দরকার পানীয় জল কাকে বলে। যে জল পানের উপযুক্ত তাকেই পানীয় জল বলে। কিন্তু পানের উপযুক্ত কিনা বুঝবেন কি করে? মানে পানের উপযুক্ত বলতে ঠিক কী বোঝায়? রাসায়নিক ভাবে বিশুদ্ধ জল বলতে যা বোঝায় তা একেবারেই পানের যোগ্য নয়। বিস্বাদ তো বটেই, রীতিমতো তেতো লাগবে আর বেশি খেলে মৃত্যুও হতে পারে। ঘাবড়াবেন না, বিশুদ্ধ জল কোথাও পাবেন না সুতরাং খেয়ে মরার ভয় নেই।
তাহলে পানীয় জল কী? জলে যখন আমাদের শরীরের প্রয়োজন মত বিভিন্ন খনিজ লবন মজুত থাকে, অপ্রয়োজনীয় ও ক্ষতিকর রাসায়নিক থাকে না আর রোগজীবাণু কম থাকে, মোটামুটি ভাবে সেই জলকেই পানীয় জল বলে।

কিন্তু রোগজীবাণু ‘থাকে না’ না বলে ‘কম থাকে’ বললাম কেন? কারণ দুটো, রোগজীবাণু সম্পুর্ন ভাবে দূর করলে সেই জল দিয়ে ইঞ্জেকশন বা স্যালাইন তৈরি করা যাবে কিন্তু সেটা পানীয় জল হবে না। আর দুই, সম্পুর্ন জীবাণু মুক্ত জল টানা খেলে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার বারোটা বেজে যাবে।
ইমিউনিটি আসলে মানবদেহের একটা কোয়ালিটি টেস্ট যেটা প্রকৃতি নেয়। আপনি বেঁচে আছেন মানে সেই টেস্ট গুলো এখনও অব্দি পাশ করে চলেছেন। একটা সেমিস্টারে ফেল করলেই ডিসকোয়ালিফাই হয়ে যাবেন। সাপ্লির কোন ব্যবস্থা নেই।

তাহলে পানীয় জল কাকে বলে মোটামুটি একটা ধারণা পাওয়া গেল।

এবার দেখা যাক পানীয় জলের উৎস কি কি।
সমুদ্রের জল একেবারেই অপেয় কারণ এতে অত্যধিক পরিমাণে লবন ও অন্যান্য রাসায়নিক থাকে। এই জল পান করলে অবধারিতভাবে ডিহাইড্রেশন হবে।
নদীর জল শহরাঞ্চলে দূষনের জন্য পানের অযোগ্য। পাহাড়ি ঝরনার জল তবু খাওয়া যেতে পারে। পুকুর বা ঝিলের জল বেশীরভাগই অপরিস্কার। খেলে জলবাহিত রোগ হবার সমূহ সম্ভাবনা।
একমাত্র মাটির নীচের জলই মোটামুটি ভাবে পানের যোগ্য বলে দীর্ঘকাল যাবত মানুষ ইঁদারা আর নলকূপের জল পান করছে।

কিন্তু ভূগর্ভে জল আসে কোথা থেকে?
প্রধানত বৃষ্টির জল মাটির দ্বারা শোষিত হয়ে মাধ্যাকর্ষণ এর ফলে মাটির গভীরে চলে যায় এবং বিভিন্ন শিলাস্তরের মাঝে জমা হয়।
নলকূপ খনন করলে মাটির নীচ থেকে ওই জল ক্যাপিলারী এফেক্ট এর কারনে ওপরে উঠে আসে। মাটির বিভিন্ন স্তরের মধ্যে দিয়ে নীচে যাবার সময়েই এই জল ধাপে ধাপে পরিশ্রুত হয়ে পানের উপযুক্ত হয়ে ওঠে।

তবে বর্তমানে রাসায়নিক কলকারখানা ও যানবাহনের থেকে উদ্ভুত বিভিন্ন দূষিত পদার্থ বাতাস ও জলের সঙ্গে মিশে শেষ পর্যন্ত মাটির নীচের জলে গিয়ে মিশছে। ফলে নলকূপের জলও ক্রমশ আর্সেনিক, মার্কারি ইত্যাদি দূষনে পানের অযোগ্য হয়ে উঠছে।
নিরুপায় কিছু মানুষ সেই জল খেয়ে রোগগ্রস্থ হচ্ছে।
শহর ও মফস্বলের মানুষ মিউনিসিপালিটির সরবরাহ করা পরিশ্রুত জল পান করে। তবে অপরিশ্রুত জল বা Raw water কে পরিশ্রুত করে পানীয় জলে পরিণত করার যে স্ট্যান্ডার্ড প্রসেস আছে তারও একটা সীমাবদ্ধতা আছে। তারজন্য আছে Domestic Water Purifiers বা সহজ কথায় ফিল্টার। সে প্রসঙ্গে পরে আসছি।

এখন মূল সমস্যাটা হল ভূগর্ভস্থ জলের স্তর ক্রমশ নীচে নেমে যাচ্ছে আর বহু এলাকায় মাটির নীচের জল পাওয়াই যাচ্ছে না। কেন এমন হচ্ছে? এককথায় বলতে গেলে যতটা জল মাটির ভেতরে যাচ্ছে তার পরিমাণ ক্রমশ কমছে আর মাটির নীচ থেকে জল বার করে আনার পরিমাণটা ক্রমশ বাড়ছে।

সারা পৃথিবী জুড়ে বনজঙ্গল কেটে ফেলার ফলে বৃষ্টিপাতের পরিমান কমছে। নগরায়নের ফলে খোলা জমি বা মাটির ক্ষেত্রফল বা area ক্রমশ কমছে। সেইজন্য বৃষ্টির জল বেশীরভাগই বিভিন্ন বাঁধানো নালা নর্দমা দিয়ে বয়ে গিয়ে নদীপথে সমুদ্রে গিয়ে মিশছে। ফলে মাটির নীচের পানীয় জলের ভান্ডারটি দ্রুত শেষ হয়ে আসছে।
অন্যদিকে আমরা মানুষরা সংখ্যায় দ্রুত বেড়েই চলেছি। ফলে যত্রতত্র নলকূপ বসিয়ে ব্যাপকহারে ভূগর্ভস্থ জল বার করে চলেছি।
ব্যবহারের পরে সেই জল কিন্তু আর মাটিতে ফিরে যেতে পারছে না, কারন আমাদের টয়লেট, রান্নাঘর বা স্নানঘর থেকে সেই জল পাইপ বা সিমেন্ট দিয়ে বাঁধানো নালা দিয়ে বয়ে গিয়ে সেই নদী হয়ে সমুদ্রে চলে যাচ্ছে।

এইভাবে একাধারে ভূগর্ভস্থ জলের সঞ্চয় কমছে আর একদিকে সেই জলের উত্তোলন তথা খরচ বাড়ছে। এই double effect এর জন্যই আজকের এই জল সঙ্কট এর সৃষ্টি হয়েছে।

এখন আমাদের পক্ষে নগরসভ্যতাকে ত্যাগ করে বনে জঙ্গলে গিয়ে বাস করা সম্ভব নয়।
জনসংখ্যা বৃদ্ধির কুফলের ব্যাপারেও সতর্ক হবার কোন আশু সম্ভাবনা দেখছি না। বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি কিছু কিছু দৃশ্যমান হলেও প্রয়োজনের তুলনায় যৎসামান্য।
সুতরাং মাটির নীচের জলভান্ডারটির পুনরুদ্ধার প্রায় অসম্ভব বললেই চলে।

যেটা আমরা সচেতন আর সচেষ্ট হলে করতে পারি, সেটা হল জলের অপব্যবহার বা অপচয় কম করা আর ভূগর্ভস্থ জলভান্ডারটির পুরোপুরি ভাবে নিঃশেষ হয়ে যাওয়াটাকে বিলম্বিত করা।

এই কাজটা করা যায় তিনভাবে।

১. একই জলের দুবার ব্যবহার অর্থাৎ recycling.
২. জলের ব্যবহার বা খরচ কমানো অর্থাৎ মিতব্যয়ী হওয়া। ( বলাই বাহুল্য এটাই সবচেয়ে অপছন্দের পদ্ধতি)
৩. জলের অপব্যবহার বা অপচয় রোধ করা।
( প্রধানত অজ্ঞতা ও দায়িত্বজ্ঞানহীনতার জন্য প্রচুর জল অপচয় হয়)

কিছু কিছু জনপ্রিয় ও প্রচলিত পদ্ধতি যেমন বৃষ্টির জল ধরে রেখে ব্যবহার করা (rain water harvesting), বাতাস থেকে জলীয় বাষ্প ঘনীভূত করে পানীয় জল উৎপাদন ইত্যাদি তো আছেই। আমরা খুব সহজে কিছু কৌশল অবলম্বন করলেই এই সঙ্কটের মোকাবিলায় উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নিতে পারি।

১. একই জলের দুবার ব্যবহার।

  • আনাজপাতি ধোবার সময় একটা বড় পাত্রে জল নিন। তারচেয়ে একটু ছোট একটা ফুটোফুটো (perforated) পাত্রে আনাজগুলো নিয়ে বড় পাত্রের জলে ডুবিয়ে ধুয়ে নিন। আনাজের পাত্রটা পরে তুলে নিলেই নীচের বড় পাত্রে আনাজ ধোয়া জল পড়ে থাকবে। ওই জল আপনি ঘরমোছার কাজে বা টয়লেটে জল ঢালার কাজে ব্যবহার করতে পারবেন।
  • পায়খানার সিসটার্নের ট্যাংক এর ওপরের ঢাকনায় একটা ফুটো করে তার ওপর ছোট একটা প্লাস্টিকের বেসিন বসিয়ে হাতধোবার সাবান বা লিকুইড রাখুন। হাতধোয়া জল সিসটার্নের ট্যাংকে জমা হবে। পরে ফ্লাস করার সময় দ্বিতীয় বার ব্যবহার হয়ে যাবে।

*ওয়াশিং মেশিনের ড্রেন পাইপের জল বালতি বা কোন ট্যাঙ্কে জমিয়ে রাখুন। টয়লেট পরিস্কার করা বা ওইরকম কোন কাজে লেগে যাবে।

২. জল খরচ কমানো

  • শাওয়ারের বদলে বাথটাবে চান করুন। অনেক কম জলে চান হয়ে যাবে। সম্ভব না হলে অন্তত একটা বড় গামলা কিনে তারমধ্যে বসে বা দাঁড়িয়ে শাওয়ারে চান করুন। চানকরা জল গামলায় জমবে। ওই জল যে কোন ধোয়ামোছার কাজে লাগাতে পারবেন।
  • বালতি বালতি জল ঢেলে ঘর বাড়ি সিঁড়ি দালান সব ধোয়ামোছা করেন রোজ? কিম্বা হোস পাইপ খুলে জল দিয়ে ধুচ্ছেন রোজ বাইকটা কিম্বা চারচাকা? ভ্যাকুয়াম ক্লিনার ব্যবহার করুন। সব ধুলো ময়লা ভ্যাকুয়ামের দ্বারা টেনে পরিস্কার করে তারপর একটা ভিজে কাপড় দিয়ে ভাল করে মুছে নিন। ঝকঝকে পরিস্কার হবে প্রায় বিনা জল খরচে।
  • বাড়িতে যে water purifier গুলো আমরা ব্যবহার করি, সেগুলো মূলত দুধরনের হয়।
    UV filter আর RO filter. অনেক সময় এদুটোর কম্বাইন্ড ফিল্টারও হয়। UV ফিল্টারে একটা অতিবেগুনী আলোর ল্যাম্প থাকে, যার পাশ দিয়ে জলকে প্রবাহিত করা হয়। অতিবেগুনী রশ্মি জলের রোগজীবানু গুলোকে ধ্বংস করে, আর জীবানুমুক্ত জল ফিল্টার থেকে বেরিয়ে আসে। ( তবে যে গতিবেগে ওই ল্যাম্পের পাশ দিয়ে জল প্রবাহিত হয়ে বেরিয়ে যায়, তাতে UV রশ্মির সঙ্গে জীবানুর যে সংঘাত কাল বা exposure time পাওয়া যায়, অত কম সময়ে জীবাণু কতটা মরে সে বিষয়ে আমার যথেষ্ট সন্দেহ আছে। তবে সেটা ভিন্ন আলোচনার বিষয়, তাই এখানে বাদ দিলাম।)
    RO ফিল্টার কাজ করে Reverse Osmosis পদ্ধতিতে। এক্ষেত্রে একটা পর্দা বা membrane এর ভিতর দিয়ে জলে দ্রবীভূত পদার্থের আদান প্রদান হয়। এই ফিল্টারে চার লিটার জল থেকে মোটে এক দেড় লিটার পানীয় জল পাওয়া যায়। বাকি জলটা ড্রেইন হয়ে যায়। কী পরিমাণ অপচয় একবার ভাবুন! অথচ বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই RO ফিল্টারের কোন দরকার পড়ে না। ফিল্টার প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলো ব্যবসার জন্য সবাইকেই RO ফিল্টার লাগাবার উপদেশ দেয়। জলে দ্রবীভূত কঠিন পদার্থের পরিমান অর্থাৎ Total Dissolved Solid বা সংক্ষেপে T.D.S. এর মান মোটামুটি ভাবে 200 থেকে 500 ppm. হলে সেই জল পানীয় জল হিসাবে আদর্শ, অবশ্য যদি অন্যান্য গুনাবলী ঠিক থাকে। মিউনিসিপালিটির জলের TDS সাধারণত 300 থাকে 400 ppm এর মত থাকে। সেখানেও ফিল্টার কোম্পানিগুলো RO লাগাতে বলছে। অনেক পন্ডিত ভাবে RO মানে বেশী বিশুদ্ধ জল। এখন RO ফিল্টার থেকে বেরনো জলের TDS যদি 100 ppm এর নীচে হয় তবে সেই জল খাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে মোটেই ভাল না। ট্যাপের জল বা নলকূপ এর জলের TDS 900 ppm এর ওপরে থাকলে তবেই RO ফিল্টার ব্যবহার করা উচিৎ।
    TDS মাপবেন কিভাবে? খুব সোজা, TDS meter কিনে নিন। বড়জোর তিন চারশো টাকা দাম। অনলাইনে অর্ডার দিলেই বাড়িতে বসে পেয়ে যাবেন। একটা পেনের মত জিনিস। ইলেকট্রোড এর টিপটা একগ্লাস জলে ডোবালেই মূহুর্তে লেখা ফুটে উঠবে কত আছে TDS. ব্যাস, তারপর সেই বুঝে সিদ্ধান্ত নিন।

৩. জলের অপচয় না করা।

  • সাবান মাখার সময় শাওয়ারটা খুলে রাখেন কেন? বন্ধ রাখুন বা সামান্য খুলুন। সাবান মাখার সময় অনেক জল বেকার নষ্ট হয়। দাড়ি কাটার সময়েও আমরা বেসিনের কল খুলে রেখে গালে ব্রাশ ঘষতে থাকি। কল বন্ধ করুন। ভাল হয় মগে জল নিয়ে গালে ক্রিম ঘষলে।
  • ওভারহেড ট্যাঙ্কের জল গরম হয়ে যায় বলে বেসিনের ট্যাপটা অল্প করে খুলে রাখেন? সারাদিনে কত জল অপচয় করেন কোন ধারণা আছে? মাটির কুঁজোয় জল ভরে রাখুন, ঠান্ডা থাকবে। সারাদিনে পান করা আর চোখে মুখে ঝাপ্টা দেওয়ার জন্য বড়জোর পাঁচ লিটার জল লাগে। আর আপনি হাল্কা করে ট্যাপ খুলে রেখে সারাদিনে কম করে হাজার লিটার জল ড্রেন করে দিচ্ছেন। ( বিশ্বাস না হয় ওই হাল্কা করে খোলা কলের নীচে একটা বালতি পেতে রেখে দেখুন কতক্ষনে ভরতি হয় ওই দশ থেকে বারো লিটার মাপের বালতিটা। তারপর চব্বিশঘণ্টার হিসাবটা নিজেই করে নিতে পারবেন।)

এছাড়া রাস্তায় ট্যাপের চাবি খোলা দেখলে বন্ধ করা বা জলের পাইপ ফেটে জল বেরচ্ছে দেখলে স্থানীয় প্রশাসন কে জানানো ইত্যাদি সাধারণ কাজগুলো তো করতেই পারি আমরা।
আপনারাও একটু চিন্তা করলে আরও অনেক ট্রিকস আবিষ্কার করতে পারবেন। ইচ্ছাটাই বড় কথা।
আজকাল শহর বা মফস্বলে বেশীরভাগ মানুষই ফ্ল্যাট এ থাকে। তবু্ও যাদের নিজস্ব বাড়ি আছে আর বাড়ির চারপাশে ছোট একফালি জমি আছে, তাদেরকে অনুরোধ জমির ফালিটাকে টাইলস দিয়ে ঢাকবেন না। ঘাস থাক, বা ফুলের গাছ লাগান। অন্তত ওই জমিটুকুতে তো বৃষ্টির জল মাটিতে শোষিত হবে!

আজকের এই চরম জলসঙ্কটের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে কার দোষ বিচার করার থেকে আমরা ব্যক্তিগত উদ্যোগে কি কি করতে পারি সেই চেষ্টাটাই জরুরী বলে মনে করি।
আমার এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা যদি পাঁচশো মানুষের কাছেও পৌঁছায় আর অন্তত পাঁচজন মানুষও যদি কিছু করার অনুপ্রেরণা পায় তাহলেই আমার এই লেখা সার্থক বলে মনে করব।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here