ভারতীয় সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে অরুণাচলের কিবিথু হতে পারে পরবর্তী ড্রিম ডেস্টিনেশন

ভ্রমণ
next dream destination is kibithu of arunachal
কিবিথু অরুণাচলের আদিম প্রকৃতির মাঝখানে একটি অতি মনোরম স্থান। এটি লোহিত নদীর তীরে অবস্থিত। সবুজ বনে ঘেরা এর কাছের ডং গ্রামটি থেকে ভারতের প্রথম সূর্য্য রশ্মি অনুভব করা যায়।
লোহিত নদী অরুণাচল প্রদেশের চীন ভারত প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার (এলএসি) থেকে ৮ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত ব্রহ্মপুত্রের অন্যতম উপনদী। লোহিত নদী ভারতে প্রবেশ করে লোহিত উপত্যকা দিয়ে যায়। কিবিথু অঞ্চল তেমন জনবহুল নয়। লোহিত নদীর তীরে বিশাল পাহাড়ের মাঝে অবস্থিত ডং গ্রাম। যেখানে সূর্যোদয় দেখা যেতে পারে সকাল সাড়ে 3: 30 টা থেকে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত।
এটি চীন ভারত প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার (এলএসি) কাছে অবস্থিত একটি স্থান। ভারতীয় সেনা, সেনা অধ্যুষিত অঞ্চলটিকে পর্যটনকেন্দ্রে রূপান্তর করার জন্য একটি অভ্যন্তরীণ প্রস্তাব পর্যালোচনা করছে। সূত্রের খবর, সেনাবাহিনী মনে করে যে এই অঞ্চলে গ্রীষ্মের পর্যটন কেন্দ্র হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
1962 সালে, কিবিথু খাতটি ভারত-চীন যুদ্ধের সাক্ষী ছিল। তবে, বর্তমানে এটি একটি শান্তিপূর্ণ অঞ্চল, যদিও কেবলমাত্র কয়েকটি দু: সাহসী প্রকৃতি প্রেমী পর্যটকরা এ অঞ্চলে আসেন।
সূত্রের খবর কিবিথু অঞ্চলটিকে পর্যটন ক্ষেত্রে উন্নীত করার জন্য জঙ্গলের মধ্য দিয়ে ট্রেকিং রুট তৈরির প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। এছাড়াও ট্রেকিং রুটে পর্যটকদের কিছুটা বিশ্রাম নেওয়ার জন্য বিশ্রামাগার ও যোগ কেন্দ্র স্থাপনেরও প্রস্তাব আছে। প্রস্তাবটিতে লোহিত নদীর তীরে রিভার রাফটিং এর সুযোগ আলোচনা করা রয়েছে।
পর্যটকদের সুবিধার্থে ওয়ালং (কিবিথু থেকে প্রায় 25 কিমি) অ্যাডভান্সড ল্যান্ডিং গ্রাউন্ড (এএলজি) অবধি পবনহংস হেলিকপ্টার পরিষেবা চালুর জন্য স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সাথে সেনাবাহিনী একটি বৈঠক করেছে। এখনও অবধি, ল্যান্ডিং গ্রাউন্ডটি সামরিক হেলিকপ্টারগুলির মাধ্যমে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের সরবরাহ এবং চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত হচ্ছিল। সূত্রের খবর, তেজুর সাথে সংযোগকারী জাতীয়সড়কের তুলনায় এটি একটি ভাল বিকল্প, যা রাস্তার দুর্বল অবস্থার কারণে কিবিথু থেকে 250 কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।