বিশ্বজুড়ে কমছে পুরুষদের দাড়ি কামানো, প্রশ্নের মুখে ব্লেড কারখানার ভবিষ্যৎ

0

Last Updated on

দাড়ির কথা উঠলেই শ্রীরামকৃষ্ণ, রবীন্দ্রনাথ, সুরেন্দ্রনাথ বন্দ‍্যোপাধ‍্যায়, কার্ল মার্কস, সক্রেটিসের কথা মনে আসে। এই দাড়ি নিয়েই যত গণ্ডগোল !
দাড়িবিদ‍্যা নিয়ে পড়াশুনো করার নাম “পগনোলোজি।”
পুরুষের গাল, থুতুনি, ঘাড় ও ঠোঁটের নিচের অংশে গজানো চুলের নাম “দাড়ি” এবং ঠোঁটের উপরের অংশে গজানো চুলের নাম হলো “গোঁফ।” “বয়:সন্ধিকালে পুরুষের মুখমণ্ডলের লোমকূপে ডিহাইড্রো-টেস্টোস্টেরন হরমোন নি:সরণের প্রভাবেই দাড়ি গজায়। টেস্টোস্টেরন থেকেই নি:সৃত হয় এই ডিহাইড্রো-টেস্টোস্টেরন হরমোন। একসময় দাড়িওয়ালা পুরুষকে জ্ঞানী ভাবা হতো, আবার এর মধ্যে কাউকে কাউকে অমার্জিত ভবঘুরেও বলা হতো। তবে প্রতিদিন দাড়ি কামানো ফিটফাট অফিসবাবু ছিল একসময়ের চেনা ছবি। এখন দাড়ি না কামানোটাই হয়ে দাঁড়িয়েছে হাল ফ‍্যাশান। আর এটাই এখন “আনক্লিন্ বিউটি।” শুধু তাই নয়, গোটা বিশ্ব জুড়েই এখন দাড়ি রাখার সংখ্যাটা বেড়েছে। ফ্রেঞ্চ কাট্, ঝুল দাড়ি, খোঁচা খোঁচা দাড়ি মিলিয়ে হরেক কিসিমের দাড়ির বাহার বেড়েছে এখন পুরুষদের মধ্যে।
আর এতেই প্রমাদ গুনছে ব্লেড তৈরির কারখানাগুলো। ধাক্কা খাচ্ছে ব্লেডের বাজার। বিশ্বের নামী ব্লেড তৈরির সংস্থা “জিলেট” পর্যন্ত নড়েচড়ে বসেছে। জিলেটের মূল প্রতিষ্ঠান হলো প্রোক্টর অ্যাণ্ড গ‍্যাম্বল। এই প্রোক্টর অ্যাণ্ড গ‍্যাম্বলের দক্ষিণ আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট মিসিমিলিয়ানো মিনোজ্জি সম্প্রতি জানিয়েছেন, (পুরুষ) মানুষের কাছে দাড়ি না কামানোটা এখন একটা অভ‍্যাস হয়ে দাঁড়িয়েছে। দাড়ি না কামানোকে এখন আর মানুষ খারাপ ভাবে না। অনেকে তো সপ্তাহে একবারের জন‍্যও দাড়ি কামাচ্ছেন না। তবে তাকে কেউ আর কুঁড়ে বলছে না।
আর এখান থেকেই ব্লেড তৈরির কোম্পানিগুলোর ভাবনা শুরু। আর সে ভাবনার বিষয় এখন অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here