দুবছর পরেও সেই অরক্ষিতই রয়েছেন চিকিৎসকেরা , অভিযোগ তাঁদের

0

Last Updated on

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু-র রিপোর্টে রোগী ও ডাক্তারের অনুপাত ১.৩৪:১০০০সারা ভারতে| ফ্যামিলি মেডিসিনের বিচারে যাকে তারা সবুজ সংকেত দিয়েছেন| কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে সেই অনুপাত ২০১৮তে ছিল ১:১৮৫০ | হাসপাতালে বারবার কর্তব্যরত চিকিৎসক হেনস্থার পিছনে যথেষ্ট হাত রয়েছে এই সংখ্যাতত্ত্বের| অন্ততঃ মনে করছেন রাজ্যেত চিকিৎসক মহল |কম চিকিৎসক নিয়ে পরিষেবা দেওয়াটা যখন একদিকে কঠিন হয়ে যাচ্ছিল,তখন এক সঙ্গে ৮৩জন ডাক্তারের পদত্যাগ কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলে দিয়েছিল | সময়টা ২০১৭ | পরপর বেশ কয়েকদিন ধরে সরকারি হাসপাতালগুলিতে রোগীর পরিবারের হাতে নিগৃহীত হচ্ছিলেন ডাক্তারেরা| তারপরই পদত্যাগের হিড়িক পড়ায় কার্যত সেই বছরের ৩রা এপ্রিল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাধ্য হয়েছিলেন ডাক্তারদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে| বছর দুয়েক আগেই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন ৪০০০ হাজার বাড়তি পুলিশ মোতায়েন করা হবে হাসপাতালগুলিতে| বাড়ানো হবে সিসিটিভি ক্যামেরার নজরদারি | হেনস্থাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক কোন শাস্তি না হওয়ায় ডাক্তারেরা সোচ্চার হন সেসময়ও| অথচ মেডিকেয়ার অ্যাক্ট ২০০৯ সালে অভিযোগকারীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া যেত বলে তখনও দাবি করেন চিকিতসকেরা| সেই বৈঠকে আশ্বস্ত হয়ে তাঁরা পদত্যাগের ভাবনা থেকে পিছিয়ে আসেন | এর মাঝে কেটেছে দুবছর | কিন্তু অবস্থার কোন পরিবর্তন হয়নি হাসপাতাল চত্বরগুলিতে| শাসকদলের দাদাগিরি থেকে রোগীর পরিজনের অভব্য আচরণের সামনে নিরাপত্তার অভাববোধ করেন তাঁরা,বলছেন চিকিৎসকেরা | আন্দোলন রত জুনিয়রদের বক্তব্য,সরকারি পরিকাঠামোর যে সীমাবদ্ধতা তা রোগীর পরিবার বুঝতে চায়না | সরকারি ঘোষণা ও কাজের মধ্যে যে ফারাক, তাঁর মাঝে পড়েই হেনস্থার শিকার হন তাঁরা ,বলছেন শহররেরই হাসপাতালে আন্দোলনরত এক জুনিয়র ডাক্তার| সময় পেরোলেও বদলায়নি চিত্র | ২০১৭ সাল থেকে ২০১৯ এর মধ্যে সরাকরি হাসপাতালগুলিতে চিকিতসকদের নিরাপত্তা কেন জোরদার করা হলনা সে প্রশ্নের উত্তর চাইছেন রাজ্য জুড়ে কর্মবিরতিতে বসা জুনিয়র ডাক্তারেরা |

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here