ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের হস্টেলের ঘরে পেট্রল বোমা মারল কারা ? জবাব চান চিকিৎসকরা

0

Last Updated on

সকাল থেকেই রাজ্যের সব সংবাদ মাধ্যমে রোগী হয়রানির বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছিল| রাজ্যের সব হাসপাতালের বহির্বিভাগের পরিষেবা বন্ধের জেরে দুর্ভোগের চিত্রটা দেখেছে রাজ্য থেকে দেশবাসী| কিন্তু কলকাতার বুকে থাকা ডাক্তার দের হস্টেলের এত বড় দুর্ঘটনার কথা কীভাবে এড়িয়ে গেল সবসময় এগিয়ে থাকা ,এগিয়ে রাখা জনপ্রিয় সংবাদ মাধ্যম? প্রশ্ন করছেন জুনিয়র ডাক্তারেরা | বুধবার বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের চারিদিকে বহিরাগতদের দখল নেওয়ার খবর দিয়েছিল রাইজিং বেঙ্গল | বুধবারই রাত ২.১০নাগাদ কে বা কারা বাইরে থেকে পেট্রোল বোমা ছুঁড়ল ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের লিনটন হস্টেলের ঘরে | নিমেষে পুড়ে খাক হয়ে যায় হস্টেলের ঘরের সব জিনিসপত্র| এমনকি পড়ার বই| সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় দমকলে | ঘটনাস্থলে আসে এন্টালি থানার পুলিশও| সৌভাগ্যবশতঃ সেই সময় সেই ঘরে কেউ ছিলেন না |

২৪ঘন্টা কেটে গেলেও এই ঘটনায় যুক্ত থাকার জন্য কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি| এই ঘটনার পর থেকেই ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের সব হোস্টেল ফাঁকা করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষ| অধিকাংশ আবাসিক পড়ুয়াদের স্থানান্তরিত করা হয়েছে হাসপাতালের খালি ওয়ার্ডে | এই হাসপাতালের জুনিয়র ডাক্তারেরাও এনআরএসের সমর্থনে কর্মবিরতি পালন করছিলেন | তাঁদের বক্তব্য এই ঘটনার সঙ্গে রোগীর আত্মীয়-পরিজনেরা কোনভাবে যুক্ত নয় | বরং শাসক আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এই আন্দেলনকে ভাঙার চক্রান্ত করে ইচ্ছাকৃতভাবে গভীর রাতে আগুন লাগিয়েছিল | ভয় দেখিয়ে আন্দোলন বন্ধ করতে চাইছে শাসকের অনুগামীরা,অভিযোগ জুনিয়র ডাক্তারদের | এত অবশ্য দমেননি তাঁরা | তাঁদের প্রশ্ন রাতের অন্ধকারে যারা হোস্টেলের ঘরে পেট্রোল বোমা মারল তাঁরা কারা ? ঘটনার দিন ২০০ জন মানুষের মধ্যে মাত্র ৫ জনকেই বা গ্রেফতার করা হল কিসের ভিত্তিতে ? রাতের অন্ধকারে মালদা, মু্র্শিদাবাদ,এনআরএস,বর্ধমানের মত কলেজগুলিতে বহিরাগত ঢুকে সশস্ত্র হামলার পিছনে কারা ইন্ধন যোগাচ্ছেন ? জিজ্ঞাসা করছেন জুনিয়র ডাক্তারেরা|

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here