বালাকোট এয়ার স্ট্রাইক জঙ্গী অনুপ্রবেশ কমিয়েছে শতকরা ৪৩%, সংসদে তথ্য পেশ কেন্দ্রীয় সরকারের

0

Last Updated on

কমেছে জঙ্গী অনুপ্রবেশ | লোকসভায় দাঁড়িয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাজ্য মন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই দাবি করলেন, বালাকোটের জঙ্গী ক্যাম্প ধ্বংসের পর উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে সীমান্ত পেরিয়ে পাকিস্তান থেকে জঙ্গী অনুপ্রবেশ | শতকরা ৪৩শতাংশ কমেছে এই অবৈধ অনুপ্রবেশ | জবাবি ভাষণে এই তথ্য মঙ্গলবার সংসদে পেশ করেন তিনি | সংসদে লিখিতভাবে জানতে চাওয়া হয়েছিল ফেব্রুয়ারি মাসে বালাকোট এয়ারস্ট্রাইকে পাক অধীকৃত কাশ্মীরের জঙ্গী ঘাঁটি ধ্বংস করে জম্ম-কাশ্মীরের নিরাপত্তাজনিত কোন সুবিধে হয়েছে কিনা ? তার উত্তরেই মন্ত্রী একথা জানিয়েছেন | পাশাপাশি বলেন ,২০১8সালের এই সময়ের থেকে ৪৩শতাংশ অনুপ্রবেশ কমেছে | ফলে উপত্যকায় নাশকতামূলক কাজ কিছু হলেও কমার ইঙ্গিত মিলেছে | কেন্দ্রীয় সরকার জঙ্গী কার্যকলাপের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতিতেই আগামীতেও কাজ করবেন বলে মঙ্গলবারও জানানো হয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে |

কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে নানাবিধ উপায় অবলম্বন করা হয়েছিল জঙ্গী অনুপ্রবেশ রুখতে আগেই | তারই ফলস্বরূপ এই পরিসংখ্যান বলে দাবি করেন তিনি |

অন্যদিকে এদিন জাতীয় নিরাপত্তার আধিকারিকেরা জঙ্গী কার্যকলাপে আর্থিক সহায়তার অভিযোগে হুরিয়ত কনফারেন্সের নেতা সৈয়দ আলি শাহ গিলানির নাতি আনিস-উল-ইসলামকে তলব করে | বর্তমানে ইসলাম দিল্লির তিহার জেলে বন্দী ছিল | ২০১7সালে উপত্যকা জুড়ে যে বিচ্ছিন্নতাবাদী অশান্তি সৃষ্টি হয়েছিল ,তাতে আর্থিক সহযোগিতার অভিযোগ ছিল এর বিরুদ্ধে | তখনই তাকে গ্রেফতার করা হয় | প্রসঙ্গত জম্মু-কাশ্মীরকে পাকিস্তানেক সঙ্গে মিশিয়ে দিতে জোরালো সওয়াল করেছিল ইসলামের দাদজু বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা সৈয়দ আলি শাহ গিলানি |

জম্মু-কাশ্মীরের ইস্যু নিয়ে নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখা এই সব বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনকে আগামীতে যে আর রেওয়াত করবেনা , মোদি সরকার এসব তারই ইঙ্গিত বলে মনে করছেন কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকেরা |

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here