ক্ষুদ্রতম দূর্গামূর্তি গড়ে গিনিস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের দোরগোড়ায় রায়গঞ্জের শিল্পী

0
tiny-Durga-story

Last Updated on

রাইজিং বেঙ্গল ডেস্ক : বছর চারেক আগেই দেশপ্রিয় পার্কের সাড়ে অষ্টআশি ফিটের দূর্গাপ্রতিমা রেকর্ড গড়েছিল বিশ্বের সর্বোচ্চ দূর্গাপ্রতিমা হিসেবে। আরও একবার দুর্গাপ্রতিমা কে ঘিরেই হয়তো একটি বিশ্ব রেকর্ড হতে চলেছে। তবে এক্ষেত্রে বৃহত্তম নয় ক্ষুদ্রতম দূর্গামূর্তি হচ্ছে রেকর্ড গড়ার কেন্দ্রবিন্দু। মাত্র ১/২ সেন্টিমিটার ! হ্যাঁ ঠিকই পড়েছেন ১/২ সেন্টিমিটারের দুর্গা মূর্তি বানিয়ে সকলকে ইতিমধ্যে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন রায়গঞ্জ নিবাসী শিল্পী মানস রায়।

আরও পড়ুন – “চক্রব্যূহের পাকচক্র” – পৃথিবীর গভীরতম অসুখ; হাওড়ার শিবাজী সংঘের পুজোমন্ডপের এবারের ভাবনা

রায়গঞ্জের বীরনগর এলাকায় স্ত্রী ও কন্যাকে নিয়ে ভাড়া থাকেন মানস বাবু। করণদিঘী এলাকায় তাঁর একটি চশমার দোকান রয়েছে। চশমার ব্যবসার পাশাপাশি মূর্তি তৈরির কাজও করেন তিনি। বিভিন্ন ধরনের মূর্তি তৈরি করার পর অভিনব কিছু করে দেখানোর ইচ্ছায় গত এক বছর ধরে তিনি এই ক্ষুদ্রতম প্রতিমা তৈরীর কাজ শুরু করেছেন। বর্তমানে মাত্র ১/২ সেন্টিমিটারের দুর্গা মূর্তি বানিয়ে ফেলেছেন মানস বাবু।

আরও পড়ুন – দাও ফিরিয়ে সেই শৈশব

মাটি, খড় এবং আঠা এই তিনটি প্রধান উপকরণ-এর সাহায্যেই তৈরি হয় তাঁর ক্ষুদ্রতম মূর্তি; পরিশেষে তাতে রং করা হয়। শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি যে এত ক্ষুদ্র মূর্তি তৈরির কাজ তিনি করে ফেলেন কোনরকম আতস কাঁচ ব্যবহার না করেই। এক একটি মূর্তি সম্পূর্ণ করতে তার সময় লাগে পাঁচ থেকে ছয় ঘন্টা। ইতিমধ্যেই মানস বাবুর সৃষ্টিশালায় ক্ষুদ্রতম মুর্তির সমাহারে সংযোজিত হয়েছে দুর্গা,কালী, লক্ষ্মী,সরস্বতী, কার্তিক এবং গণেশ। তাঁর এই অভিনব সৃষ্টি বিশ্বরেকর্ডের আওতায় আসবে বলেই আশাবাদী তিনি। সেই আশায় ভর করে ইতিমধ্যেই মানস বাবু আবেদন জানিয়েছেন গিনিস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে এবং সেই আবেদনে সাড়া দিয়ে ওই বিশেষ কমিটি তাঁর সৃষ্টিসম্ভারের ছবি ও প্রয়োজনীয় নথি চেয়ে পাঠিয়েছে। ইতিবাচক কিছু সাড়া মিলবে গিনিস বুকের তরফে এমনই আশা মানস বাবুর। মানস বাবুর কন্যা সোহিনীও তার বাবার জন্য অত্যন্ত গর্বিত। আশা যে তার বাবার এই অভিনব সৃষ্টি এবার হয়তো যোগ্য সম্মান লাভ করবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here