অস্থায়ী বাঁশের ফেরিতে দুই জেলার মানুষের ঝুঁকির পারাপার, সরব স্থায়ী সেতুর দাবিতে

0

Last Updated on

প্রতি বছরই বর্ষা এলে যোগাযোগ ছিন্ন হয় বীরভূম এবং বর্ধমানের বেশ কয়েকটি অঞ্চলের মধ্যে । অতিরিক্ত বৃষ্টির ফলে লাগোয়া জলাধারের জল ছাড়ার জন্যই বেশিরভাগ প্লাবিত হয় নীচু অঞ্চলগুলি | বীরভূমের ইলামবাজারে অজয় নদের উপর একটিমাত্র মাটির অস্থায়ী ফেরিঘাটও সেই জলে ডুবে যাওয়ায় মানুষের ভোগান্তি চরমে ওঠে ফি বছর | বন্ধ হয় যোগাযোগ । জল নেমে গেলে এই অস্থায়ী ফেরির উপর চলে বীরভূম ও বর্ধমান এই দুই জেলার মানুষের যাতায়াত |

এবারও অন্যথা হয়নি সেই ঘটনার | বুধবার গভীর রাতে হিংলো জলাধার থেকে জল ছাড়ায় জলস্তর বেড়েছে অজয়ের | বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ইলামবাজার অঞ্চলে অজয় নদের উপর সেই অস্থায়ী ফেরিঘাটের উপর দিয়ে বইছে জল । ফলে এই অস্থায়ী ফেরিঘাট দিয়ে যাতায়াত আপাতত বন্ধ | সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন বীরভূম ও পূর্ব বর্ধমানের বেশ কয়েকটি গ্রামের | ভোগান্তি এড়াতে চেষ্টার কসুর করেননা এলাকার মানুষ | অস্থায়ী বাঁশের আরেকটি ফেরি করে শুরু করেন ঝুঁকির পারাপার | মালপত্র সাইকেল সবই ওই নড়বড়ে বাঁশের ফেরি দিয়েই চলে | কারণ ফেরিঘাট না থাকলে ঘুরপথে এই দুই জেলার যোগাযোগ যথেষ্ট সময় এবং খরচ সাপেক্ষ ।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের দাবি বছর বছর এই দুর্ভোগ কাটাতে সরকারি উদ্যোগে একটি সেতু বানানো হোক এখানে | সে কথা শুনেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় | দু বছর আগে ঘটা করে সেতুর শিল্যান্যাস করলেও বর্তমানে সেই কাজের কোনো গতি নেই বলেই দাবি এলাকাবাসীর | মাঝে শোনা গিয়েছিল সেতু তৈরিতে অন্তরায় খানিক জমি-জট | যা পরবর্তীকালে মিটে গিয়েছে বলেই প্রশাসন সূত্রের খবর | তবে ঠিক কোন কারণে সেতু তৈরির কাজের গতি মন্থর হল, তা তাঁদের কাছে এখনও পরিষ্কার নয় |

স্থানীয় মানুষের পারাপার ছাড়াও যে জয়দেব মেলার কথা ঘটা করে সরকারি ভাবে উদযাপনের বিজ্ঞাপন দেওয়া হয় ,তাতেও বেশ খানিকটা সুবিধে হবে বলে তাঁদের মত | এই স্থানের ঐতিহাসিক গুরুত্বের কথা ভেবেই সরকারি ততপরতা আশা করছেন এলাকার মানুষ |

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here