পুকুর কাটার জাল নথি দিয়ে কেন্দ্রীয় টাকা নয়ছয়ের অভিযোগ পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে!

0
Tapan Block

Last Updated on

একেই বলে দিনের আলোয় পুকুর চুরি। ধানী জমি রাতারাতি হয়ে গেল পুকুর। খাতায় কলমে পুকুর খননথেকে ১০০ দিনের প্রকল্পাধীন টাকা আদায় সবই হয়ে গিয়েছে। যা দেখে তো একেবারে চক্ষু চড়কগাছ পুকুরের মালিকদের।

আরও পড়ুন:
https://risingbengal.in/rastar-behal-doshai-aborodhe-promila-bahini/

পুকুরচুরির এমনই একটি জলজ্যান্ত উদাহরণ দেখা গেল তৃণমূল পরিচালিত তপন ব্লক এর নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়। ১০০ দিনের প্রকল্পে পুকুরের জন্য মাটি না কেটেই ভুয়া বিল দাখিলের অভিযোগ উঠেছে এই পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে।

আরও পড়ুন:
https://risingbengal.in/cheledhora-o-chor-sondehe-asansole-barche-gonopitunir-probonota/

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হুমায়ুন ফকির ও সহিদুর রহমান তপন ব্লক-এর নয় নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত এড়েন্দা গ্রাম সংসদের ধনা পাড়া এলাকার বাসিন্দা। এরা কয়েক বছর আগে নিজস্ব ধানের জমিতে মাটি কেটে পুকুর তৈরী করার জন্য পঞ্চায়েতের কাছে আবেদন জানায়। ১০০ দিনের প্রকল্পের মাধ্যমে মাটি কাটার কথা ছিল। পুকুর খননের কাজের কোনো অগ্রগতি না দেখে ওরা দিন কয়েক আগে কেন্দ্র সরকারের অনলাইন ওয়েবসাইটে বিষয়টি জানার চেষ্টা করলে যে তথ্য তাদের সামনে আসে তাতে তারা রীতিমতো হতবাক। যেখানে হুমায়ুন ও সহিদুরের পুকুর করার জন্য এক ছটাক মাটিও কাটা হয়নি সেখানে ওয়েবসাইটে সুস্পষ্টভাবে নথিভুক্ত করা রয়েছে তাদের পুকুর খনন করার কথা। শুধু তাই নয়, ভুয়ো মাস্টার রোল করে লক্ষাধিক টাকা শ্রমিকের বিল প্রদানের নথিও সেখানে রয়েছে।

আরও পড়ুন:
https://risingbengal.in/hooglyr-arambag-e-boma-udhdhar/

বিষয়টি তাদের নজরে আসতেই এই দুজন সরকারি টাকা পঞ্চায়েত দ্বারা নয়ছয়ের লিখিত অভিযোগ জানায় সদর মহকুমার মহকুমাশাসক ঈশা মুখার্জির কাছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ এলাকায় ১০০ দিনের কাজের প্রকল্প-এর মাধ্যমে প্রায় ১১ টি পুকুর খনন করার কথা ছিল। এর মধ্যে বাস্তবে খনন করা হয়েছে কেবলমাত্র সাত-আটটি পুকুর। আর বাকি পুকুর খনন হয়েছে শুধুমাত্র খাতায়-কলমে বাস্তবে যার কোন অস্তিত্ব নেই। মাস্টার রোল করার পারিশ্রমিক হিসেবে শ্রমিকদের প্রদান করা হয়েছে বলে প্রায় ১০-১২ লক্ষ টাকার ভুয়ো বিল নথিভূক্ত করা হয়েছে বলি অভিযোগ। ভুয়ো বিল পাস করেই থেমে থাকেনি অভিযুক্ত পঞ্চায়েত। এমনকি যেসব শ্রমিক ও সুপারভাইজার ওই সকল প্রকল্পে কাজ করেছে।তাদের মধ্যে অনেকেই পারিশ্রমিক পাননি বলে অভিযোগ উঠেছে। ফোনে গোটা বিষয়টি নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলে ঘটনাটি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন সদর মহকুমা শাসক ঈশা মুখার্জী।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here