মালদায় নতুন করে আরো দশ করোনা আক্রান্তের হদিশ

0
More new ten Corona infected cases at Malda

Last Updated on

মালদায় নতুন করে ১০ জনের দেহে মিললো করোনার হদিস। জেলার চাঁচোলসহ বিভিন্ন এলাকায় বুধবার নতুন করে ১০ জন পরিযায়ী শ্রমিকদের দেহে এই মারণ ভাইরাসের খোঁজ পাওয়া গেছে। জেলায় এখনও অবধি মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৬৮। অাক্রান্তরা চাঁচোল, হরিশ্চন্দ্রপুর ,কালিয়াচক ,ইংলিশ বাজার ,হবিবপুর, মানিকচক, রতুয়া ব্লকের বাসিন্দা। তবে করোনা রোগীর সংখ্যা বাড়লেও সরকার এই মুহূর্তে লকডাউন শিথিল করেছে। সরকারি নির্দেশিকা মেনে দোকানদারেরা দোকান খুলে দিয়েছেন। তবে শহরের বাজারগুলিতে দেখা মিলছেনা না সোশ্যাল ডিসটেন্সিংয়ের। বাজারের বড় বড় দোকানগুলিতে তা মানা হলেও ছোট দোকানগুলিতে সোশ্যাল ডিস্ট্যান্স মানা হচ্ছে না। যার ফলে আতঙ্কে জেলাবাসী। আতঙ্কে রয়েছেন চিকিৎসকরা ।

আরো পড়ুন :ভিনরাজ্যে পাড়ি দেওয়া স্বজনকে ফিরিয়ে আনতে বীরভূমের ময়ূরেশ্বরে পথ অবরোধ পরিবারগুলির

ইতিমধ্যেই মালদার বিভিন্ন বাজার এ দোকানপাট খুলে দেওয়া হয়েছে। এবং প্রচুর মানুষ একসঙ্গে নিয়ম না মেনে বেরিয়ে পড়ায়, আগামী দিনে যে সংক্রমণ যে আরো বাড়তে পারে এমনটাই আশঙ্কা করছেন জেলার চিকিৎসকদের একটা বড় অংশ। এই বিষয়ে মালদার বিশিষ্ট চিকিৎসক ডাক্তার ডি সরকার জানান, করোনা রোগ বিষয়ে মানুষ ইতিমধ্যে জেনে গিয়েছেন সচেতনতা ছাড়া আর কোনো রাস্তা নেই ।

সরকারি যে তিনটি নির্দেশিকা রয়েছে সেটা মানুষকে মেনে চলতে হবে। যদি না মানুষ তা মেনে না চলে তাহলে করোনা ভয়ঙ্কর আকার ধারণ করবে বলে সাবধানবাণী শুনিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি যানবাহনের চালকদের কেউ সচেতন হতে হবে তাও বলেছেন ঔই চিকিৎসক ।

আরো পড়ুন :সংকটকালে বকেয়া বেতন দিয়ে শ্রমিকদের মুখে হাসি ফোটালো সিউড়ির এক মাঝারি শিল্প সংস্থা

অন্যদিকে জেলার আরেকজন চিকিৎসক ডঃ রিক সান্যাল জানান, ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির মধ্যে ইতিমধ্যে আমরা দিন কাটাচ্ছি। আজকে যদি জেলায় করনা আক্রান্ত ১০০০ হয়ে যায় তাহলে স্বাস্থ্য পরিকাঠামো ভেঙে পড়বে। কারণ মালদা জেলায় সেরকম পরিস্থিতির বেড ভেন্টিলেশন নেই। আমার মতে লকডাউন টি আরো ১৪ দিন করা দরকার ছিল। এখন অব্দি যারা করোনা আক্রান্ত হয়েছেন তারা সবাই পরিযায়ী শ্রমিক। আমাদের লক্ষ্য রাখতে হবে যাতে কমিউনিটিতে এটা বেশি না ছড়ায়। বাজার করতে আসা এক ক্রেতা জানান একদিকে লকডাউন উঠাতে যেমন ভালো লাগছে তেমনি ভয়ও লাগছে। জেলায় করোনা আক্রান্ত সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে যেটা রীতিমতো চিন্তার বিষয়। তবে সোশ্যাল ডিসটেন্সিং কতটা মানা হচ্ছে সেটাই এখন দেখার বিষয় ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here