পোকা চাল ও পচা আলু দেওয়ার অভিযোগ আইসিডিএস সুপারভাইজারের বিরুদ্ধে,রাস্তায় সেই আলু ফেলে বিক্ষোভে স্থানীয়রা

0
Locals residents protest against ICDS supervisor at Malda

Last Updated on

মালদা জেলার জেলা পরিষদের শিশু-নারী ত্রাণ কর্মাধক্ষ্য মর্জিনা খাতুন জানান,”আমি বিষয়টি খতিয়ে দেখছি যে সমস্যাটি এলাকাবাসী অভিযোগ করছে তা অতি দ্রুত সমাধান করা হবে।” ওই সেন্টারের সুপারভাইজার শংকরী দাস জানান, “এমনটা তো হওয়ার কথা নয়। খোঁজ নিয়ে দেখছি।” হরিশ্চন্দ্রপুর ব্লক ১ সিডিপিও অনুপ সরকার জানিয়েছেন,”চাল আলু দেওয়া নিয়ে যে অভিযোগ তুলছে সাধারণ বাসিন্দারা তা সম্পূর্ণ সঠিক নয়। তবু বাসিন্দাদের অভিযোগ থাকলে আমরা ওই আলু পাল্টে দেবো ।”

আরো পড়ুন :ভিন রাজ্যের রেড জোন থেকে ফিট সার্টিফিকেট ছাড়া আধিকারিককে এ রাজ্যের অফিসে ঢুকতে বাধা অধঃস্তনদের

একের পর এক বিবৃতি | দায় এড়ানোর | সংবাদ মাধ্যমের কাছে পরপর এভাবেই সকলে বললেন তারা কিছুই জানেননা | স্থানীয় মানুষের যে চাল ও আলু সরকারের ঘর থেকে দেওয়া হচ্ছিল তাকে ঘিরে অসন্তোষের কথা তারা কিছুই জানেননা| জানেননা চালের পরিমাণ কম দেওয়ার কথা | পচা আলু দেওয়ার কথাও | কিন্তু স্থানীয় বাসিন্দারা কি বলছেন ? তারা বলছেন বারবার বলা সত্ত্বেও কোন লাভ হয়নি | তাঁরা বলছেন আইসিডিএস সেন্টার থেকে পচা আলু দেওয়া হচ্ছে তার সঙ্গে দেওয়া হচ্ছে|দেওয়া হচ্ছে পোকা ধরা চাল| এই অভিযোগে তাই বাধ্য হয়ে সোমবার হরিশ্চন্দ্রপুরের রাস্তায় আলু ফেলে বিক্ষোভ দেখাল এলাকাবাসী ।

ঘটনাটি ঘটেছে মালদা জেলার হরিশ্চন্দ্রপুর থানা এলাকার কাউয়ামারী-২ গ্রামের আইসিডিএস সেন্টার। সকাল থেকেই ওই সেন্টারে শিশুদের চাল আলু বিলি হচ্ছিল। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান ওই সেন্টার থেকে যে চাল দেওয়া হচ্ছিল তা ছিল পোকা ধরা এবং আলু ছিল পচা। এই অভিযোগের ভিত্তিতে এলাকাবাসী রাস্তায় আলু ফেলে বিক্ষোভ দেখায়। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন “সেন্টার থেকে পরিমাণে প্রতিবার কম চাল দেওয়া হচ্ছে। আলু পচা দেওয়া হয়েছে। পচা আলু দেওয়ার প্রতিবাদে আমরা এখানে বিক্ষোভ দেখাচ্ছি। কোন সময়ে সেন্টারে ঠিকঠাক খাবার দেওয়া হয় না। বারবার অভিযোগ করেও কোনো ফল হয়নি ।”

আরো পড়ুন :সেন্টারে নেই খাবার,পাঁচদিন অভূক্ত থেকে ১৪দিনের আগেই বাড়ির দিকে হাঁটা মারলেন কোয়ারেন্টাইনে থাকা ভিন রাজ্যের পরিযায়ী শ্রমিকেরা

যদিও বাসিন্দাদের অভিযোগ করোনা আবহে অঙ্গনওয়াড়ী কেন্দ্রে এই নিম্নমানের খাদ‍্যসামগ্রী প্রদানের অভিযোগ বার বার উঠে আসছে। আর এই নিম্নমানে প্রাধান‍্য পাচ্ছে সুপারভাইজার শংকরী দাসের তত্বাবধানে থাকা সেন্টারগুলিতে। প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করার পরেও কেন এই লোককেই রেখে দেওয়া হচ্ছে ইনচার্জ করে ? তবে কী সর্ষের মধ্যেই ভূত? প্রশ্ন করছেন বাসিন্দারা |

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here