বীরভূমের বালি মাফিয়াদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ালেন স্থানীয় বাসিন্দারা ,প্রশ্নের মুখে প্রশাসনের ভূমিকা

0

Last Updated on

বীরভূমের প্রশাসনিক বৈঠকে গিয়ে স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী একাধিকবার সরব হয়েছেন জেলায় বাড়তে থাকা বালির মাফিয়াদের দৌরাত্মের বিরুদ্ধে| সেই সময় সেচ দফতরের দায়িত্বে থাকা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ও অভিযোগ শুনে আচমকা হানা দিয়ে অনেককে ধরিয়ে দিয়েছিলেন তিনি নিজ উদ্যোগেই | কিন্তু এই মাফিয়ারাজ বেড়েছে বৈ কমেনি | অভিযোগ শাসকদলের নেতাদের একাংশ ও পুলিশের সঙ্গে বালি মাফিয়াদের যোগসাজশের ফলেই রমরমিয়ে চলছে এই ব্যবসা | পুলিশকে বলে কিছু সুরাহা না হওয়ায় বিক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরাই শেষমেশ আটক করলেন অবৈধ বালি বোঝাই লরি । বীরভূমের হাট-ইকড়া গ্রামের বক্রেশ্বর নদীর বালি ঘাটের ঘটনা । কয়লার পর মাটি এবং তারপর বালি। এসবই এখন ‘সোনা’ বীরভূমে । অভিযোগ, মাটি থেকে বালি এসবেরই অবৈধ কারবারের বাড়বাড়ন্ত এখন বক্রেশ্বর নদীর বালিঘাটে‌ । এলাকার বাসিন্দাদের মতে দিনে-রাতে উধাও হয়ে যাচ্ছে নদী পাড়ের মাটি থেকে নদী গর্ভের বালি । আর দিনের পর দিন এই কাজ হচ্ছে মূলত মেয়াদ ফুরোনো বালি ঘাটের চালানকে হাতিয়ার করে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, প্রথমে মাটি মাফিরা এসে কেটে নিয়ে যাচ্ছে নদী পাড়ের মাটি। এরপর আসছে বালি মাফিয়ার দল । তারা নদীর বুক থেকে তুলে নিয়ে যাচ্ছে লরি লরি বালি । দুটো কাজই চলছে জেসিবি মেশিনে । এভাবেই কেটে নেওয়া হচ্ছে নদীর পাড়ের চাষযোগ্য জমি থেকে সরকারি জমির মাটি| আর এইসব অবৈধ কাজ-কারবার চলছে সরকারি বালি ঘাটের দায়িত্বে থাকা কর্মীদের চোখের সামনেই । যদিও এই অভিযোগ সম্পূর্ণরূপে অস্বীকার করেন বালি ঘাটের দায়িত্বে থাকা ম‍্যানেজার । তাঁর সাফাই, যারা এসব কাজ করছে, তারা সবাই বাইরের লোক, তাদের কোনো লোকজন এর সঙ্গে জড়িত নয় ।

কিন্তু তাতে গ্রামবাসীদের বক্তব্য ,বাইরের লোক হোক বা ঘরের ,একটি বেআইনি কারবারের বিরুদ্ধে কোন পদক্ষেপ না করে অন্ধ হয়ে বসে থাকতে পারেন কি বালিঘাটের দায়িত্বে থাকা ম্যানেজার বাবু , উঠছে সেই প্রশ্ন?পুলিশকে খবর দিয়ে তার আইনি পদক্ষেপ করার কি কোন চেষ্টা করেছেন তিনি ,প্রশ্ন করছে এলাকার বাসিন্দারা|

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here