শ্রীলঙ্কার বিস্ফোরণে পাকিস্তান যোগ!

0

Last Updated on

ইস্টার সানডের প্রার্থনাতে হওয়া বিস্ফোরণের পিছনে মূল উদ্দেশ্য ছিল ধর্মীয় বিভেদ তৈরি করা| আর তাতে আপাতভাবে সক্ষম জঙ্গী সংগঠনগুলি| বিস্ফোরণের পিছনে রয়েছে স্থানীয় ইসলামিক সংগঠন,তদন্ত যত এগিয়েছে তত জোরালো হয়েছে এই তত্ত্ব| আর তাতেই বেড়েছে বিদ্বেষ| শ্রীলঙ্কায় থাকা ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের বৌদ্ধ ও খ্রীস্টান ধর্মাবলম্বীদের রোষের মুখে পড়তে হচ্ছে| নষ্ট হচ্ছে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি| শোনা যাচ্ছে বহু ইসলাম ধর্মাবলম্বীরা দেশ ছেড়ে যাচ্ছেন| প্রকৃতপক্ষে এই বিস্ফোরণের ফলে শ্রীলঙ্কায় দুই ধর্মীয় সম্প্রদায়কে আবারও একবার সম্মুখ সমরে ফেলে দিয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা| বিস্ফোরণের আগে মূলচক্রীরা পাকিস্তানে গিয়েছিল বলে গোয়েন্দা সূত্রের খবর| সেখানকার ড্রাগ ব্যববসার টাকা এই বিস্ফোরণে আর্থিক অক্সিজেন যুগিয়েছে বলে তদন্তে প্রাথমিকভাবে উঠে এসেছে| সিরিয়া,আফগানিস্থানের কিছু অংশ,লিবিয়া এই সকল জায়গায় মার্কিনি সেনার সঙ্গে যুদ্ধে .তই তারা পিছু হঠছে,তত নিজেদের অস্তিত্ব জানান দিতে পৃথিবীর নানান দেশে যেখানে তাদের মডিউল কাজ করছে,সেসব দেশে নাশকতামূলক কাজে আরও বেশি সক্রিয় হতে চাইছে বলে অভিমত মার্কিন গোয়েন্দা বিভাগেরও| শ্রীলঙ্কায় বিস্ফোরণের জন্য সেইসব জায়গা বেছে নেোয়া হয়েছিল যেখানে খ্রীস্টান ধর্মীবলম্বীরা জমায়েত হয়েছিলেন| ঠিক এই বার্তাই ভিডিও মাধ্যমে প্রচার করেছিলেন ইসলামিক স্টেটের চিফ বুখারি| হামলার ছকের মূলচক্রী জেহেরান হাসিমও একইভাবে জেহাদী ভিডিও প্রকাশের মাধ্যমে যুবকদের জেহাদী কার্যকলাপে উদ্বুদ্ধ করত বলে তদন্তে উঠে এসেছে| শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী একথা স্বীকার করেছেন দেশের ৩২জন নাগরিক ইসলামিক স্টেটের মত সংগঠনে যোগ দিতে নিঁখোজ হয়ে গিয়েছিলেন| এদের মধ্যে অনেকেই দেশে ফিরেছেন|তাদের হাত রয়েছে বিস্ফোরণের পিছনে রয়েছে কিনা তাও খতিয়ে দেখছে শ্রীলঙ্কা প্রশাসন|

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here