ইরান আক্রমণের ডাক দিয়েও পিছু হঠলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

0

Last Updated on

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্পর্ক একপ্রকার তলানিতে ঠেকে বৃহস্পতিবার | মার্কিনি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বৃহস্পিতবারই নির্দেশ দেন ইরান আক্রমণের | অবশ্য কিছুক্ষণ পরে সেই নির্দেশ প্রত্যাহারও করে নেন | এরপরই বৃহস্পতিবারই তার ট্যুইটার হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন,ইরান একটা বড় ভুল করে ফেলেছে | ইরানের আকাশে নজর রাখা মার্কিনি ড্রোনকে গুলি করে নামিয়ে নেওয়ার পরই এই ট্যুইট করেন মার্কিনি প্রেসিডেন্ট | ইরান ইসলামিক রেভউলিশনারি গার্ড কর্পসের নিরাপত্তারক্ষীরা ড্রোন নামানোর ঠিক আগের দিন ইরানের দক্ষিণ উপকূল বরাবর এগোতে থাকে | একে ট্রাম্প প্রশাসন সামরিক অভিযান ভেবেই মার্কিনি প্রেসিডেন্ট মন্তব্য করেন এটি একটি বড় ভুল | দুদেশের বাড়তে থাকা সামরিক অস্থিরতা চরমে পৌঁছয় যখন ইরানের বিপুল জ্বালানীকে নিশানা করে মার্কিন ড্রোন হানা দেয় | এরপরই তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে অস্থিরতা বেড়ে যায় | মার্কিন প্রশাসনের তরফে বলা হয় যে এই ড্রোনের উপর হানা ইরান ঘটিয়েছে বিনা প্ররোচনায় | কিন্তু এই অভিযোগ অস্বীকার করে ইরানের বিবৃতি, তাদের আকাশের সীমানার মধ্যে মার্কিনি ড্রোন ঢুকে পড়ে ইচ্ছাকৃতভাবে |
খানিক্ষণের জন্য দুই দেশের মধ্যে সামরিক সম্পর্কের অবনতি হলেও পরে তা সামলে নেন মার্কিনি প্রেসিডেন্ট নিজেই | তিনি পরে বিবৃতি দিয়ে বলেন , ড্রোনকে গুলি করে নামানো দ্বর্থ্যহীন ভাষায় নিন্দা করার পরও তিনি বলেন যে ইরানের প্রশাসকেরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কোন সামরিক পদক্ষেপ করবেন তা তিনি বিশ্বাস করেননা |
মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই বিবৃতি দুদেশের সামরিক অস্থিরতা সাময়িক প্রলেপ দিলেও এই ঘটনার পর ইরানের বিদেশমন্ত্রক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, যুদ্ধ করতে নারাজ ইরান| কিন্তু তাদের স্থল,জল ও আকাশকে সুরক্ষিত রাখতে তারা বদ্ধপরিকর |

২০০৩ এর জর্জ বুশের আমলে ইরাককে আক্রমণ করার সেই দিনগুলোর দিকেই কি যাচ্ছে মার্কিনি প্রশাসন? সেবারে সাদ্দামের দাদাগিরিকে মানতে না পারা বুশ প্রশাসন দেশের নিরাপত্তার প্রশ্ন জিগির তুলে ইরাক আত্রমণ করেছিল | আর এবার ভিনদেশের তেলের ট্যাঙ্কারে ইরান ইচ্ছাকৃতভাবে উড়িয়ে দেওয়ার চক্রান্ত করছে সেই অভিযোগে ইরানকে আক্রমণ করতে চাইছে মার্কিনি ট্রাম্প প্রশাসন বলে মনে করছেন অনেকেই |

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here