মারণ রোগ ক্যানসারের কবলে বাঙালি বেশি ! কারণ কি ?

    0

    Last Updated on

    শিবাজি প্রতিম

    ক্যানসার ! নামটা শুনলেই যে কোনো সুস্থ-সবল মানুষের শিরদাঁড়া দিয়ে ঠাণ্ডা স্রোত বয়ে যেতে বাধ্য। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার একটি সমীক্ষা অনুযায়ী বছরে এই মুহুর্তে প্রতি ৬ জনের একজন মারা যান এই দুরারোগ্য ব্যাধিতে| উন্নতমানের চিকিৎসা পরিকাঠামো এবং গবেষণার কারণে সংখ্যাটা ইউরোপ বা আমেরিকায় আগেকার তুলনায় অনেক কম হলেও উন্নয়নশীল বিশ্বে ক্রমবর্ধমান। কারণ হিসেবে বিশেষজ্ঞরা উন্নত বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলা আধুনিক চিকিৎসা পরিকাঠামো এবং চিকিৎসকের অভাবের পাশাপাশি খাদ্যাভাস এবং দৈনন্দিন জীবনযাত্রাকেও দায়ী করছেন | দেশের মধ্যেও ক্যানসার আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে ইদানীংকালে এই বাংলা থেকে ক্যনসার আক্রান্ত মানুষের সংখ্যাটা চমকে দেওয়ার মতই। দেশের সবকটি নামজাদা ক্যানসারের চিকিৎসা করা হাসপাতালে রাজ্যওয়াড়ি রোগীদের দিকে নজর ফেরালে সেটা সহজেই অনুমেয় বলে বিশেষজ্ঞদের মত। কি কারণ তবে এর ? উঠছে প্রশ্ন। দেশের অন্যতম সেরা মুম্বইয়ের টাটা মেমোরিয়ালের চিকিৎসকদের মতে , বাঙালির খাদ্যাভ্যাসের মধ্যেই লুকিয়ে আছে এর উত্তর। সাধারণ বাঙালি খাবারের মধ্যে অত্যধিক তেলের ব্যবহার করে থাকে। তার অন্যতম প্রিয় খাবার হল তেলেভাজা। সব বাঙালিরই প্রিয়, পথ চলতি দোকানের তেলেভাজা যে তেলে ভাজা হয় তার বেশিরভাগই প্রতিদিন বদল না করেই বহুদিন ধরে ব্যবহৃত হয়। এই পুরোনো তেলে ‘বেঞ্জোপাইরিন’ নামক এক রাসায়নিক তৈরি হয় যা কারসিনোজেনিক, বা ক্যানসারের অন্যতম প্রধান কারণ। এছাড়া আমাদের প্রতিদিনের খাবারে মুরগির মাংস ব্যবহৃত হয়। প্রায়শই ফার্মে পালিত এ সমস্ত মুরগিদের দ্রুত বৃদ্ধির জন্য বিশেষ রাসায়নিক ইনজেক্ট করা হয়। এটাও শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাকে কমিয়ে দেয়, ফলে ক্যানসার সৃষ্টিকারী কোষ শরীরে বাসা বাঁধা অনেক সহজ হয়ে দাড়ায়। একই জিনিস প্রযোজ্য পুকুরে রাসায়নিক ইনজেক্ট করে চাষ করা মাছের ক্ষেত্রেও। এছাড়াও যে কোনো উচ্চফলনশীল খাদ্যবস্তু যাতে রাসায়নিকের প্রয়োগ হয় মাত্রাতিরিক্তভাবে তা শরীরের পক্ষে ক্ষতিকর বলে মত বিশেষজ্ঞদের। আসলে এসব খাবারে প্রযুক্ত রাসায়নিক শরীরে প্রবেশ করে ধীরে ধীরে সহজাত রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে নষ্ট করতে থাকে তার ফলে প্রচ্ছন্ন অবস্থায় থাকা ক্যানসারের কোষ প্রকট হয়ে কোনো একটি বিশেষ অঙ্গ বা প্রত্যঙ্গে অনিয়ন্ত্রিত কোষ বিভাজন ঘটায়, যেটাই ক্যানসার নামে সাধারণভাবে পরিচিত।
    কাজেই ক্যানসারের প্রকোপ থেকে আগাম সাবধানবাণী শোনাচ্ছেন দেশের তাবড় অঙ্কলোজিষ্টরা, যাতে বারবার খাদ্যাভাস বদলের কথা উচ্চারিত হয়েছে।

    তবে দেশের মধ্যেও ক্যানসার আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে ইদানিংকালে এই বাংলা থেকে ক্যনসার আক্রান্ত মানুষের সংখ্যাটা ভয়াবহ। দেশের সবকটি নামজাদা ক্যানসারের চিকিৎসা করা হাসপাতালে রাজ্যওয়াড়ি রোগিদের দিকে নজর ফেরালে সেটা সহজেই অনুমেয় বলে বিশেষজ্ঞদের মত। কি কারণ তবে এর ? উঠছে প্রশ্ন। দেশের অন্যতম সেরা মুম্বইয়ের টাটা মেমোরিয়ালের চিকিৎসকদের মতে বাঙালির খাদ্যাভ্যাসের মধ্যেই লুকিয়ে আছে এর উত্তর। সাধারণ বাঙালি খাবারের মধ্যে অত্যধিক তেলের ব্যাবহার করে থাকে। তার অন্যতম প্রিয় খাবার হল তেলেভাজা। সব বাঙালিরই প্রিয়, পথচলতি দোকানের তেলেভাজা যে তেলে ভাজা হয় তার বেশিরভাগই প্রতিদিন বদল না করেই বহুদিন ধরে ব্যাবহৃত হয়। এই পুরোনো তেলে ‘বেঞ্জোপাইরিন’ নামক এক রাসায়নিক তৈরি হয় যা কারসিনোজেনিক, বা ক্যানসারের অন্যতম প্রধাণ কারণ। এছাড়া আমাদের প্রতিদিনের খাবারে মুরগির মাংস ব্যাবহৃত হয়। প্রায়শই ফার্মে পালিত এ সমস্ত মুরগিদের দ্রুত বৃদ্ধির জন্য বিশেষ রাসায়নিক ইনজেক্ট করা হয়। এটাও শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাকে কমিয়ে দেয়, ফলে ক্যানসার সৃষ্টিকারী কোষ শরীরে বাসা বাঁধা অনেক সহজ হয়ে দাড়ায়। একই জিনিস প্রযোজ্য পুকুরে রাসায়নিক ইনজেক্ট করে চাষ করা মাছের ক্ষেত্রেও। এছাড়াও যে কোনো উচ্চফলনশীল খাদ্যবস্তু যাতে রাসায়নিকের প্রয়োগ হয় মাত্রাতিরিক্তভাবে তা শরীরের পক্ষে ক্ষতিকর বলে মত বিশেষজ্ঞদের। আসলে এসব খাবারে প্রযুক্ত রাসায়নিক শরীরে প্রবেশ করে ধীরে ধীরে সহজাত রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাকে নষ্ট করতে থাকে তার ফলে প্রচ্ছন্ন অবস্থায় থাকা ক্যানসারের কোষ প্রকটা হয়ে কোনো একটি বিশেষ অঙ্গ বা প্রত্যঙ্গে অনিয়ন্ত্রিত কোষ বিভাজন ঘটায়, যেটাই ক্যানসার নামে সাধারণভাবে পরিচিত।

    কাজেই ক্যানসারের প্রকোপ থেকে আগাম সাবধানবাণী শোনাচ্ছেন দেশের তাবড় অঙ্কলোজিষ্টরা, যাতে বারবার খাদ্যাভাস বদলের কথা উচ্চারিত হয়েছে।

    LEAVE A REPLY

    Please enter your comment!
    Please enter your name here