পাকিস্তানে জেহাদী প্রশিক্ষণের নেওয়ার আগেই যৌথবাহিনীর হাতে ধরা পড়ল ৪ যুবক

0

Last Updated on

বাড়ি থেকে পালিয়েছিল ওরা চারজন | সীমান্তবর্তী গ্রামে লুকিয়ে চলছিল জেহাদী প্রশিক্ষণ | কাশ্মীরের আজাদির মন্ত্রে দীক্ষিত হয়ে ভারতের মাটিতে নাশকতা মূলক কাজে যোগ দিয়েছিল এরা | ছক কষেছিল উত্তর কাশ্মীরের সীমানা পেরিয়ে প্রশিক্ষণ নিতে পৌঁছবে পাকিস্তানে | কিন্তু শেষ রক্ষা হল না | ভারতীয় সেনাবাহিনীর হাতে কাঁটাতার পেরোনোর আগেই ধরা পড়ে গেল ওই চার যুবক | প্রত্যেকেরই বয়স ১৭-২১বছরের মধ্যে | মুখে কালো কাপড় বাঁধা |

বারামুল্লায় পুলিশ ও সেনাবাহিনীর যৌথ সাংবাদিক বৈঠকের আগে তাদের হাজির করা হল সাংবাদিকদের সামনে | যৌথ বৈঠকে উপস্থিত কমান্ড্যার করে ৭৯ মাউন্ট ব্রিগেড গিরিশ কালিয়া বলেন, স্থানীয় জঙ্গীদের হাত ধরেই এরা পালিয়ে যাচ্ছিল | রাষ্ট্র বিরোধী কথা বুঝিয়ে ও প্রচুর অর্থের লোভে এরা এই সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত হতে চেয়েছিল বলে প্রাথমিক অনুমান | সেনাবাহিনীর কাছে সূত্র মারফত খবর আসে, যে চার যুবক লাইন অফ কন্ট্রোল পেরিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে | খবর পাওয়া মাত্রই অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে তা আটকানোর জন্য সেখানে পৌঁছন যৌথবাহিনীর জওয়ানেরা | এর মধ্যে বারামুল্লা পুলিশ,সেনাবাহিনীর ১৬১ব্যাটেলিয়ানের সেনারা ,৫৩ ব্যাটেলিয়ানের সিআরপিএফের জওয়ানেরা এলওসি-র কাছে লিম্বার এলাকার বনিয়ারে পৌঁছন মোক্ষম সময়ে হাজির হয়ে এদেরকে ধরে ফেলেন | কথাবার্তা বলার পর এদেরকে পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয় | এই সাংবাদিক বৈঠকে সেনা কমান্ড্যার ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন এসএসপি বারামুল্লা আব্দুল কায়ুম ও সিও ১৬১টিএ ভেজ বেঞ্জওয়াল| যে চারজন পালিয়ে যাওয়ার ছক কষেছিল তারা হল আদিল আহমেদ দার,তাহির শামিম,সমির ভাট ও নভিদ পার্রা | এরা কুলগাম,পোসিয়ান,সোপোর ও তাপ্পার পাট্টান এলাকার বাসিন্দা |
সাংবাদিক বৈঠক শেষে বিপথগামী সমস্ত কাশ্মীরী যুবককে যারা জেহাদের নামে জঙ্গী কার্যকলাপে নাম লিখিয়েছেন তাদের মূল স্রোতে ফিরে আসার আহ্বান জানান উচ্চ পদস্থ আধিকারিকেরা|

হিংসা হানাহানির উপত্যকায় শনিবার ভারতীয় নিরাপত্তারক্ষীদের মানবিক মুখ দেখল গোটা বিশ্ব | চার যুবককে জঙ্গী চিহ্ণিত করে নিকেশ না করে তাদের বুঝিয়ে নিজের পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়াতে খুশী তাদের পরিবারাও | আর উপত্যকায় তল্লাশির নামে অত্যাচার চালায় ভারতীয় সেনাবাহিনী যে সব জেহাদী কাশ্মীরীরা বলেন তাদের মুখ বন্ধ করলেন এই ঘটনার দৃষ্টান্তে |

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here