যৌন হেনস্থা প্রমাণে নির্যাতিতার শরীরে আঘাত বাধ্যতামূলক নয়,পর্যেবেক্ষণ মাদ্রাজ উচ্চ আদালতের

0

Last Updated on

যৌন নিগ্রহের ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য পর্যবেক্ষণের কথা উল্লেখ করলেন মাদ্রাজ উচ্চ আদালতের মাননীয় বিচারপতি এস বৈদ্যনাথন | যৌন নীপিড়নের অভিযোগে দায়ের হওয়া একটি মামলার রায় দিতে গিয়ে বিচারপতি বলেন , “যৌন নিপীড়নের শিকারের শরীরে আঘাতের চিহ্ন না থাকার তার অর্থ এই নয় যে তিনি খুব বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হননি ।” পাশাপাশি মাদ্রাজ উচ্চ আদালত নিম্ন আদালতের রায়কে বহাল রেখে পক্সো আইনে দোষীকে দশ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং সাত বছরের সশ্রম কারাদন্ডের রায় দিয়েছে ।

২৭শে মে ২০১৬ তে নির্যাতিতার মা অভিযোগ করেন যে ,প্রকাশ তার ১২ বছরের মেয়েকে বাড়িতে নিয়ে গিয়ে যৌন নির্যাতন করেছে । বিচারের পরে নিম্ন আদালত প্রকাশকে দোষী সাব্যস্ত করে এবং তাকে ভারতীয় দন্ডবিধি মতে দশ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং পকসো আইনে সাত বছরের সশ্রম কারাদন্ডে দণ্ডিত করে ।

মাননীয় বিচারপতি এস বৈদ্যনাথন শারীরিক হিংসার ক্ষেত্রে আঘাতের প্রয়োজন বলে অভিযুক্তের আইনজীবীর যুক্তি নাকচ করে দেন । তিনি বলেন, যেহেতু ভুক্ত ভোগীর শরীরে আঘাতের চিহ্ন নেই মানে যৌন নির্যাতন হয় নি, এটি একটি ভুল যুক্তি ।

নাবালিকা মেয়েটিকে কী উদ্দেশ্য নিয়ে নিপীড়নের শিকার হতে হয়েছিল এবং কেন তা জানে না । ‘ আহত না হওয়ার অর্থ এই নয় যে কোনও যৌন হয়রানি নেই | করাণ নির্যাতিতা মেয়েটির পোশাকের ফরেনসিক রিপোর্টে প্রকাশের বীর্য পাওয়া যায় ।

বিচারপতি বৈদ্যনাথন বলেছিলেন, “নাবালিকা তার বিবৃতিতে এরোডের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে বিবৃতিতে যে কথা বলেছে তাতে জানিয়েছে, যে অভিযুক্ত তাকে স্পর্শ করৈর পরই এক প্রকার তরল তার পোশাকে ছড়িয়ে পড়ে । যা দেখে সে ভয় পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে দৌড়ে পালিয়ে যায় । বিচারপতি বৈদ্যনাথনের এই পর্যবেক্ষণ অন্যান্য শারীরিক নিগ্রেহর মামলার ক্ষেত্রে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করা হচ্ছে |

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here