জলের চাহিদা কমাতে সরকারি স্কুলের আবাসিকা ছাত্রীদের চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগ অধ্যক্ষার বিরুদ্ধে

0

Last Updated on

দিন দিন বাড়ছে জলের চাহিদা |বাড়তে থাকা জলের চাহিদা কমাতে হস্টেলের মেয়েদের চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠল স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে | ঘটনাটি তেলেঙ্গানার মেডাকে গুরুকুল স্কুলের | অভিযুক্ত গুরুকুলের প্রিন্সিপাল | ওই স্কুলে বেশিরভাগই আদিবাসী পরিবার থেকে আসা মেয়েরা পড়াশোনা করত বলে জানা যায় |
ঘটনাটি চোখে পড়ে মঙ্গলবার | সপ্তাহের একটি দিনই মেয়েদের সঙ্গে পরিবারের অভিভাবকদের দেখা করার নিয়ম সেই স্কুলের হস্টেলে থাকা মেয়েদের সঙ্গে | মঙ্গলবার যখন অভিভাবকেরা দেখা করতে যান,তখন তাদের মেয়েদের চুল একইভাবে ছাঁটা দেখে জিজ্ঞেস করলে জানা যায় প্রকৃত ঘটনা | মেয়েরা জানায়,রবিবার সেই স্কুলের অধ্যক্ষ দুজন নাপিত ডেকে প্রত্যেক মেয়ের চুল কেটে দেন | অভিযোগ এখানেই না থেমে থেকে, প্রত্যেক মেয়ের কাছ থেকে ২৫ টাকা করে জোর করে আদায় করেন বলেও জানায় ওই আবাসিক পড়ুয়ারা তাদের অভিভাবকদের কাছে |

মঙ্গলবার এ কথা জানতে পেরে সেখানেই স্কুলের অধ্যক্ষ কে অরুনার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে | সরকারি স্কুলের এই ঘরনের আচরণে স্বাভাবিক ভাবেই ক্ষুদ্ধ ও হতবাক হয়ে পড়েন তাঁরা | অভিভাবকেরা জানতে পারেন জলের খরচ কমাতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় স্কুল কর্তৃপক্ষের তরফে | যদিও এ সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন গুরুকুল স্কুলের অধ্যক্ষা | তিনি বলেন, মোয়েদের অস্বাস্থ্যকর চুলে উকুন হয়েছিল | একের থেকে অন্যের ছড়ানোয় সকলেরই চুল ছেঁটে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তাঁরা | এই সবটাই কর হয়েছিল মেয়েদের সম্মতি নিয়েই | দাবি ওই অধ্যক্ষার |

যদিও অভিভাবকদের বিক্ষোভের পর সরকারিভাবে এই ঘটনার তদন্তে নামে রাজ্যের শিশু ও নারী কল্যাণ দফতরের আধিকারিকেরা | ওই অধ্যক্ষার বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তও শুরু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে |

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here