৩৭০ পেরিয়ে কাশ্মীরে রেশম শিল্প জাগছে।

0
silk factories in kashmir

Last Updated on

৩৭০ ধারা বিলোপের পর ক্রমশ ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটছে কাশ্মীরে।
কাশ্মীরের শ্রীনগরে শতাব্দী প্রাচীন রেশম কারখানার তিন দশকের বন্ধ দরজা খুলে গেল।
রেশম কী?
রেশম হলো এক ধরণের প্রাকৃতিক প্রোটিন তন্তু। এর ইংরেজি নাম “সিল্ক।” মূলত ত়ুঁত গাছে বাসা বাঁধে রেশম কীট। তারপর তা থেকেই হয় রেশম সুতো। কাপড় তৈরিতে রেশম সুতোর কদর চিরকালের।
চিনেই প্রথম রেশম চাষ শুরু হয়েছিল। প্রথম প্রথম চিনারা এর চাষ সম্পর্কে গোপনীয়তা বজায় রাখলেও পরবর্তীকালে জাপান, কোরিয়া ও ভারতে রেশম চাষ ছড়িয়ে পড়ে। বর্তমানে রেশম একটি আন্তর্জাতিক ব‍্যবসার অঙ্গ।
ফিরে আসি কাশ্মীরের কথায়।
ইংরেজি ১৮৯৭ সালে কাশ্মীরের শ্রীনগরে স্থাপিত হয় ” জম্মু ও কাশ্মীর সিল্ক ফ‍্যাক্টরী।” ১৯৮০-৮১ সালে এই কারখানাটি ৫৭ হাজার কেজি কাঁচা রেশম উৎপাদন করে রেকর্ড তৈরি করে এলাকায়। কিন্তু ১৯৮৯-৯০ সালে উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে ৭২ শতাংশ কমে গিয়ে ১৬ হাজার কেজিতে দাঁড়ায়। তারপর পিছনে হাঁটতে হাঁটতে একসময় বন্ধ হয়ে যায় কারখানার দরজা।
সম্প্রতি ফের খুলেছে বন্ধ কারখানার দরজা। নতুন করে সরকারি উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কর্মী নিয়োগ হচ্ছে। বাইরের অভিজ্ঞ কর্মীদের পাশাপাশি স্থানীয়রাও এখানে কাজের সুযোগ পাবেন।
একসময় রেশমকে নিয়ে তৈরি হয়েছিল “রেশম পথ।” দক্ষিণ ইওরোপ থেকে সৌদি আরব, সোমালিয়া, মিশর, পারস্য, ভারত, বাংলাদেশ, জাভা ও ভিয়েতনাম হয়ে চিন পর্যন্ত প্রসারিত ছিল এই রেশম পথ। কাশ্মীরের এই রেশমও বিদেশে পাড়ি দেবে, এমনটাই আশা এখন কারখানার সঙ্গে যুক্ত সকলের।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here