চিনা খবরদারিতে পাশ ‘ন্যাশনাল সিকিউরিটি ল’,পুলিশি অত্যাচারের ছবি ভাইরাল হতেই নয়া বিতর্কে হংকং প্রশাসন

0
new debate on Hong Kong administration

Last Updated on

২০১৯ সালে সোশ্যাল মিডিয়া তোলপাড় হয়েছিল একটি ভিডিওতে | হংকংয়ের দীর্ঘদিনের স্বায়ত্তসাসনে চিন হস্তক্ষেপের বিরোধীতায় যে সংঘর্ষ চলছে তা কীভাবে দমাতে চাইছে হংকংয়ের চিন প্রবাবিত প্রশাসন,তারই একটা নমুনা দেখা গিয়েছিল সেখানে | পুলিশের গাড়ি বিক্ষোভকারীদের গায়ের উপর চালিয়ে দেওয়ার সেই ভিডিও দেখে শিউরে উঠেছিলেন সকলে | বিতর্কের শুরু তখন থেকেই | আবারও তেমনই আরেক ভিডিও নয়া বিতর্কের জন্ম দিল | মঙ্গলবার চিনের চাপে হংকংয়ে পাশ হয়েছে ন্যাশনাল সিকিউরিটি ল |

আরো পড়ুন :সুশান্তের অস্বাভাবিক মৃত্যুর পিছনে রিয়ার সঙ্গে মহেশ ভট্টের অসম সম্পর্ক,পরিকল্পিত খুনের অভিযোগে সরব নেটিজেনরা

সেই আইন মোতাবেক কোন প্রকাশ্য জমায়েত,হংকংয়ের স্বায়ত্বশাসনের জন্য দেওয়া স্লোগান এমনকি পতাকা নিয়েও কাউকে প্রকাশ্যে দেখা গেলে তার বিরুদ্ধে আইনত ব্যবস্থা নেবে হংকং প্রশাসন | এই আইন পাশ হওয়ার পরে শুক্রবার এই আইন ভাঙার অপরাধে দেশের প্রথম এক ব্যাক্তিকে গ্রেফতার করে হংকং পুলিশ | সেই ব্যাক্তিকে ধরা ও অত্যাচারের ভিডিওই আবার কাঠগোঁড়ায় দাঁড় করিয়েছে নেপথ্যে থাকা চিন ও হংকং প্রশাসনকে | বাইক আরোহী এক যুবক হংকংয়ের মানুষের বিপ্লবকে সমর্থন জানিয়ে একটি ফ্ল্যাগ বাইকে বেঁধে রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় ,তাকে দেখা মাত্রই ঝাঁপিয়ে পড়ে হংকং পুলিশ তার উপরে | টেনে হিঁচড়ে বাইক থেকে নামিয়ে নিয়ে রাস্তায় পড়ে যাওয়া যুবকের উপর চলতে থাকে অকথ্য অত্যাচার |

আরো পড়ুন :মহারাণা প্রতাপের বিরুদ্ধে ‘আপত্তিকর’ মন্তব্য দশম শ্রেণীর ই-পাঠ্যপুস্তক থেকে কং সরকারের কাছে সরানোর দাবি রাজপরিবারের

সেই ভিডিও ভাইরাল হতেই সমালোচনার ঝড় ওঠে | চিনের ইন্ধনে হংকংয়ে পাশ হওয়া এই কালা আইনে যে কাউকে দেশ বিরোধী তকমা দিয়ে তাকে জেলে পুড়তে পারার তীব্র নিন্দায় সরব ইতিমধ্যেই ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলি | জার্মানের বিদেশ মন্ত্রক এই আইন পাশের পরই মন্তব্য করে হংকংয়ে চিনা আগ্রাসন ও হংকং প্রশাসনকে প্রভাবিত করে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে এই ব্যবহারের ফলে আগামী দিনে ইউরোপীয়ান ইউনিয়নের সঙ্গে চিনের সম্পর্ক তলানিতে গিয়ে ঠেকবে | দেশের মানুষের ভাবাবেগকে গুরুত্ব ও তাদের ও দেশের সংবাদমাধ্যমের বলার অধিকার খর্ব করা অত্যন্ত গর্হিত বলেও মত প্রকাশ করেন বিদেশি কূটনৈতিকরা |

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here