দুটি পৃথক পোস্টে কুরুচিকর মন্তব্যে বিদ্ধ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বিজেপি নেতা মুকুল রায়

0

Last Updated on

গোরকক্ষদের বিরুদ্ধে পিটিয়ে মারার অভিযোগে দেশ উত্তাল হয় | আবার জয় শ্রী রাম না বলায় মারলেও প্রচুর মানুষ সরব হন রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে | হয়তো ঠিকই করেন | তাঁরা চান যে এই ঘটনা যেগুলি অসহিষ্ণুতার পরিচায়ক তা বন্ধ হোক | কিন্তু হাতে কলমে না মেরে কেউ যদি নিম্মরুচির কথা বলেন | তাও আবার জনসমক্ষে | কোন সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে? এমন কিছু বলেন যাতে কারো সামাজিক অবস্থান কালিমালিপ্ত হয় ,তবে কি অসহিষ্ণুতা প্রকাশ পায় না ?

হেঁয়ালি না করে সরাসরি দুটি ঘটনা রাইজিং বেঙ্গলের নজরে এসেছে | দুটিই সোশ্যাল মিডিয়া থেকে তুলে নিয়ে আসা | একটি ফেসবুক ও আরেকটি ট্যুইটার | ফেসবুকে একটি সংবাদপত্রে প্রকাশিত খবরের নীচে একটি কমেন্ট করেন জনৈক প্রচেতা দাস | তিনি বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁর স্ত্রী সুজাতা খাঁর সঙ্গে মুকুল রায়ের একটি ছবি পোস্ট করেন | সেখানে ছবির উপর চিহ্ন দিয়ে লেখা, বিজেপি করুন,আপনিও ফ্রি মাল পাবেন | প্রচেতা সেই মন্তব্যটি স্বযত্নে নিজে লিখে পোস্ট করেন সেই সংবাদপত্রের টপ ফ্যান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন তিনি এই পোস্টের জন্য |

দ্বিতীয়টি আরও এক কদম এগিয়ে | জনৈক ডি জে মাসি সোলাঙ্গি নামক একটি হ্যান্ডেল থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির এক ভক্ত সঙ্গীতা সিংয়ের নামে অত্যন্ত ঘৃণ্য মন্তব্য করা হয় | প্রধানমন্ত্রীর শয্যাসঙ্গীনী সঙ্গীতা | তাই সে সবসময় প্রধানমন্ত্রীর গুণগান গায় বলে মন্তব্য করা হয় ওই পোস্টটিতে |

প্রশ্ন উঠছে দুটি পোস্টটি করা হয়েছে দুই জন মহিলারা বিরুদ্ধে | কিন্তু কোনো মহিলা সেলেব তা সে বাংলারই হোক বা দেশের কাউকেই দেখা যায়নি প্রতিবাদে মুখ খুলতে ? কেন ? বিজেপির স্বপক্ষে মুখ খুললে কি বিপদে পড়তে হবে ? নাকি এরা কেউই মহিলা সমাজের প্রতিভূ নন? যে দলেরই হোক,যে আদর্শেরই সমর্থক হোন না কেন নারী বিদ্বেষী বা নারীদের সম্মানহানিকর কোন মন্তব্যকে কোন শিক্ষিত সহিষ্ণু সমাজ কি এভাবেই মেনে নেয়,উঠছে প্রশ্ন? আর সোশ্যাল মিডিয়ায় এবার বোধহয় নজরদারির সময় হয়েছে | কারণ নানা সময়েই বাঁধ ভাঙছে সভ্যতার গন্ডির | ভেবে দেখুন প্রশাসন |

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here