“Hey Jude, don’t be afraid”

0

Last Updated on

শিবাজি প্রতিম

সময়টা ১৯৬৮ সালের আগষ্ট মাস। ষাটের দশককে তখন যৌবনের দশক বলা শুরু হয়ে গেছে গোটা বিশ্বে। বিশ্বের তাবড় তাবড় লেখক,চিত্রশিল্পী,সঙ্গীতশিল্পীরা একের পর এক নতুন নতুন সৃষ্টি করে ইতিহাস গড়ছেন। বলাবাহুল্য,মানুষের মনে জায়গা পাকাও করে নিচ্ছেন তাঁরা|
ব্রিটেনের লিভারপুলে ‘বিটলস’ নাম নিয়ে একদল ছেলে একটি ব্যাণ্ড তৈরি করে ফেলে ‘আমেরিকান ইনভেশন’ও করে ফেলেছে। একের পর এক যুগান্তকারী গান তারা গোটা বিশ্বের শ্রোতাকে উপহার দিয়ে চলেছে। কদিনের মধ্যেই জনপ্রিয়তার শিখরে তারা। কিম্তু হঠাৎই ছন্দপতন হয় তার।
জন লেননের প্রথম বিবাহবিচ্ছেদ এবং জাপানী তরুণী ইওকো ওনোর সঙ্গে বিয়ে হয়ে যায়। যা জনের প্রথম পক্ষের ছেলে মানতে নারাজ। দ্বিতীয় পক্ষের বিয়ে তার না পসন্দ।
এরকমই এক দিনে কোনো না কোনো কনসার্টে যাওয়ার আগে ব্যাণ্ডের বাকিরা গাড়িতে রওনা দেওয়ার আগে ঠিক করলেন জন লেননকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে কন্সার্টে পারফর্ম করতে যাবেন। ব্যাস কথামতো কাজ। সবাই হইহই করে সেখানে লেননকে নিতে গেলেন। কিন্তু দেখা গেল জনের ছেলের মন ভালো নেই। এই পরিস্থিতেই পল ম্যাকার্টনি লিখে ফেললেন বিটলসের ইতিহাসের সবচেয়ে বিখ্যাত গান ‘Hey jude’। যে গানের প্রতি ছত্রে রয়েছে দুঃখ-বেদনা থেকে নিজেকে উদ্ধার করার অনুপ্রেরণা। জনের ছেলের মন খারাপ দেখেই গানের লিরিকে এরকম দুঃখের আবহ থেকে কিভাবে নিজেকে ধীরে ধীরে উদ্ধার করা যায় তা লেখার কথা মাথায় এসেছিল পল ম্যাকার্টনির। পরের দিকে গানটি বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করে প্রায় গোটা বিশ্বে। এমনকি বিটলসের সবচেয়ে জনপ্রিয় গানেরও শিরোপা পায়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here